


সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: নোনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উল্টোদিকে ওটি রোডের পাশে থাকা মিষ্টির দোকানের পিছনে ঝোপের মধ্যে পড়েছিল একটি ব্যাগ। রবিবার তার মধ্যে থেকে অর্ধনগ্ন, রুগ্ন, অজ্ঞাতপরিচয় এক প্রৌঢ়ের মৃতদেহ উদ্ধার করল উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। রবিবার সকালে এই ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের নোনা গোরুহাটা এলাকায়। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এদিন সকালে এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, ঘটনাস্থলে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, শনিবার রাত ২টো পর্যন্ত আমরা জেগেছিলাম। তখন এখানে কিছু দেখতে পাওয়া যায়নি। তবে রাত আড়াইটা থেকে তিনটে পর্যন্ত এলাকার কুকুরগুলো খুব চিৎকার করছিল। পরে আজ সকালে একজন রিকশচালকের নজরে আসে বিষয়টি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, যখন কুকুরগুলি চিৎকার করছিল, তখনই কেউ এখানে ব্যাগবন্দি মৃতদেহটি ফেলে গিয়েছে। এদিন বেলায় পুলিশের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে এসে তদন্তে নামেন। তাঁরা এলাকার সিসিক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন। উলুবেড়িয়া শহরের পাশ দিয়ে গিয়েছে রেললাইন, জাতীয় সড়ক এবং হুগলি নদী। তাহলে মৃতদেহ ওইসব জায়গায় না ফেলে কেন এই লোকালয়ের ভিতরে এনে ফেলা হল, সেটাই বেশি ভাবাচ্ছে পুলিশকে।
হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার সুবিমল পাল জানান, মৃতদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। আমরা একটা খুনের মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হবে।