Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিজেপি কৃষকবিরোধী, জামালপুরে সভা থেকে আক্রমণ অভিষেকের

ভোটপ্রচারে নেমে মোদি এবং অমিত শাহরা বাংলার কৃষকদের হাতিয়ার করেছেন। তাঁদের দাবি, বাংলার চাষিরা ভাল নেই। শনিবার জামালপুরের সভা থেকে বিজেপিকে পাল্টা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিজেপি কৃষকবিরোধী, জামালপুরে সভা থেকে আক্রমণ অভিষেকের
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুখেন্দু পাল, জামালপুর: ভোটপ্রচারে নেমে মোদি এবং অমিত শাহরা বাংলার কৃষকদের হাতিয়ার করেছেন। তাঁদের দাবি, বাংলার চাষিরা ভাল নেই। শনিবার জামালপুরের সভা থেকে বিজেপিকে পাল্টা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘বিজেপি কৃষক বিরোধী সরকার। তারা চাষিদের ভাল চাইলে এভাবে সারের দাম বাড়াত না। ১০:২৬:২৬ সারের দাম তারা প্রতি বছর বাড়িয়ে চলছে। তৃণমূল চাষিদের পাশে সবসময় থাকে। চাষিরা কৃষকবন্ধু, শস্যবিমা প্রকল্পে সহযোগিতা পান। আর ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে চাষিদের আত্মহত্যা করতে হয়।’

Advertisement

জামালপুর মূলত কৃষিপ্রধান এলাকা। এই বিধানসভা কেন্দ্রের অধিকাংশ পঞ্চায়েতে আলু চাষ হয়। এদিনের সভা থেকে অভিষেক চাষিদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘সামনের বছর থেকে চাষিদের অভাবী বিক্রি করতে হবে না। এবছর শীত পড়ার জন্য আলুর ফলন বেশি হয়েছিল। সেকারণে সমস্যা হয়েছে। চাষিদের সুবিধার জন্য আগামী দিনে জামালপুরে বহুমুখী হিমঘর তৈরি করা হবে।’
২০২১সালের বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনেই তৃণমূল জয়ী হয়েছিল। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড বলেন, ‘এবারও এই জেলা রেকর্ড গড়বে। সরকার গঠনে এই জেলা বড় ভূমিকা নেবে।’ এদিন জামালপুরে তৃণমূলের সভায় দলের প্রার্থী ভূতনাথ মালিক, সাংসদ শর্মিলা সরকার, দলের নেতা মেহেমুদ খান সহ নেতারা ছিলেন। সভায় ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সভাস্থল উপচে পড়ে। অনেকেই ছাউনির বাইরে দাঁড়িয়ে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য শোনেন। অনেকে দামোদর নদের বাঁধের উপর দীর্ঘক্ষণ ঠাঁয় দাড়িয়েছিলেন। তীব্র রোদ ও ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহিলারাও এসেছিলেন। ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। তিনি বলেন, ‘এত মানুষের আশীর্বাদ বৃথা যাবে না। আমাদের দলের প্রার্থী জামালপুরের বাসিন্দা। তাঁকে ডাকলে আপনারা সবসময় পাবেন। কিন্তু, বিজেপির যিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন তিনি পানিহাটিতে থাকেন। তিনি আবার এসসি সেলের চেয়ারম্যান ছিলেন। অথচ ডবল ইঞ্জিন রাজ্য উত্তরপ্রদেশে তফসিলিদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে।’ যদিও বিজেপির দাবি, তাঁদের দলের প্রার্থী জামালপুরের ভূমিপুত্র। তিনি পদে থাকার সময় বহু মানুষের উপকার করেছেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘তৃণমূলের জমানায় মহিলাদের জন্য অনেক প্রকল্প আনা হয়েছে। মায়েরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রয়েছে। বিজেপি নেতারা দিল্লির মহিলাদের আর্থিক সহায়তার কথা বলেছিল। কিন্তু, সরকার গঠনের পর দেড় বছর কেটে গেলেও দিল্লিতে সেই প্রকল্প চালু হয়নি। রাজনীতি ধর্মের ভিত্তিতে নয়, কর্মের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। বিজেপি বাংলায় উন্নয়ন আটকাতে চাইছে। তা হবে না।’   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ