সংবাদদাতা, রামপুরহাট: স্কুলে মিড ডে মিলের খাবারে অনিয়ম ও নিম্নমানের খাবার দেওয়া বরদাস্ত করা হবে না বলে বার্তা দিলেন মুরারই-১ ব্লকের বিডিও এইচএম রিয়াজুল হক। বুধবার দুপুরে পলসা পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক স্কুলে আচমকা পরিদর্শনে যান তিনি।
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: স্কুলে মিড ডে মিলের খাবারে অনিয়ম ও নিম্নমানের খাবার দেওয়া বরদাস্ত করা হবে না বলে বার্তা দিলেন মুরারই-১ ব্লকের বিডিও এইচএম রিয়াজুল হক। বুধবার দুপুরে পলসা পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক স্কুলে আচমকা পরিদর্শনে যান তিনি।
এদিন দুপুরে বিডিও প্রথমে কাহিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। সেখানে পৌঁছে তিনি রান্নার গুণমান ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে বসে মিড ডে মিলের খাবারও খান। কাহিনগর লক্ষ্মীমণি বিদ্যাপীঠে গিয়ে অনিয়ম দেখেন বিডিও। তিনি দেখেন, পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি মিলিয়ে মোট ৫৮৩ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে এদিন উপস্থিত ছিল ১৪০ জন। স্কুলে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০০জনের রান্না হলেও এদিন ১৪০জন উপস্থিত পড়ুয়ার জন্য মিড ডে মিল রান্না করা হয়েছিল। কিন্তু উপস্থিতির তুলনায় খাবারের পরিমাণ ছিল অত্যন্ত কম। রান্নার গুণমানও ছিল অত্যন্ত নিম্ন। পর্যাপ্ত সরকারি বরাদ্দের পরও খাবারের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিডিও। তৎক্ষণাৎ স্কুলের টিআইসি শিবপূজন সেনের কাছে জবাবদিহি চান। বিডিওর প্রশ্নের মুখে টিআইসি জানান, রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও তার পরিমাণ সঠিকভাবেই দেওয়া হয়েছিল। রান্নার দায়িত্বে থাকা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা গণ্ডগোল করেছেন। বিডিও অবিলম্বে ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে মিড ডে মিলের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন। খাবারের পরিমাণ ও গুণমান বজায় রাখার বিষয়ে সতর্ক করেন।
বিডিও বলেন, আমরা নিয়মিত স্কুলগুলিতে মিড ডে মিলে নজরদারি করি। প্রাথমিকে ব্যবস্থা ঠিক থাকলেও লক্ষ্মীমণি বিদ্যাপীঠে গিয়ে দেখি ৫৮৩ জনের মধ্যে উপস্থিত ১৪০জন পড়ুয়ার জন্য খাবারের পরিমাণ খুবই কম এবং রান্নার মান অত্যন্ত খারাপ। রান্নার গ্রুপ দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করেছে। শিশুদের পুষ্টি নিয়ে আপস করা যাবে না। তাই দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রুপটিকে অবিলম্বে সরানোর নির্দেশ দিয়েছি। এদিন পরিদর্শনে বিডিওর সঙ্গে ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিপ্লব শর্মা, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ দোস্ত মহম্মদ, সমিতির সদস্যা ফাল্গুনী সিংহ প্রমুখ।