


নয়াদিল্লি: ২০২৩ সাল থেকে এই নিয়ে তৃতীয়বার। মাথাপিছু মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা জিডিপি) নিরিখে বাংলাদেশ ফের ভারতকে পিছনে ফেলতে পারে। চলতি মাসে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) ২০২৬ সালের আউটলুক রিপোর্টে এমনই হিসাব দেওয়া হয়েছে। তবে জনসংখ্যা বহু বেশি হওয়ার কারণে সামগ্রিক জিডিপির পরিমাণে বাংলাদেশের তুলনায় ভারত বহু এগিয়ে। আইএমএফের পরিসংখ্যানই বলছে, ২০২৬ সালে ভারতের জিডিপি হতে পারে ৪.১ লক্ষ কোটি ডলার। সেই তুলনায় বাংলাদেশের মাত্র ৫১ হাজার কোটি ডলার।
১৪ এপ্রিল প্রকাশিত হয়েছে আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকনমিক আউটলুক’। সেখানে বলা হয়েছে, বর্তমান বাজারমূল্যে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হতে পারে আনুমানিক ২ হাজার ৮১২ ডলার। বাংলাদেশের ২ হাজার ৯১১ ডলার। কিন্তু কীভাবে হিসাব করা হয় মাথাপিছু জিডিপি? কোনো দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মেলে এই পরিসংখ্যান। আইএমএফের হিসাব বলছে, ক্রমবর্ধমান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলির ক্ষেত্রে গড় মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৫০০ ডলার মতো। আর গোটা বিশ্বের ক্ষেত্রে এই গড় প্রায় ১৫ হাজার ৬০০ ডলার। অর্থাৎ এই দুই ক্ষেত্রেও ভারত ঢ়ের পিছিয়ে।
আইএমএফের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত একমাত্র ২০২৫-এ ভারত ছিল বাংলাদেশের উপরে। সেবার ভারতের মাথাপিছু ডিজিপি (২ হাজার ৬৭৫ ডলার) ছিল বাংলাদেশের (২ হাজার ৬৩৫) থেকে সামান্য বেশি। তবে ইতিবাচক বিষয় হল ২০২৭ সালে ভারত ২০৩১ সাল পর্যন্ত ভারত টানা বাংলাদেশের উপরে থাকবে বলে পূর্বাভাস আইএমএফের। ২০২৭ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হতে পারে ৩ হাজার ৪৮ ডলার। ভারতের ৩ হাজার ৭৪ ডলার।