নয়াদিল্লি: হাসপাতাল, শিল্প সংস্থার মতো বড়ো ক্রেতাদের আটকাতে পেট্রল পাম্পে ডিজেল বিক্রির ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। কেন্দ্রের যুক্তি, সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষার্থেই এই সিদ্ধান্ত। গত ১১ জুনের এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শিল্প, বাণিজ্যিক এবং প্রাতিষ্ঠানিকে ক্রেতারা পাম্প থেকে ডিজেল কিনতে পারবেন না। একলপ্তে ২০০ লিটারের বেশি ডিজেলও কেনা যাবে না। ৯০ দিনের জন্য কেন্দ্রের এই বিধিনিষেধে বিপাকে পড়েছে হাসপাতাল, তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা, ডেটা সেন্টার এবং শিল্প তালুকগুলি। বিদ্যুতের পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে ডিজেলের উপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়। শুধুমাত্র বিরূপ পরিস্থিতিতে প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই নয়, এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে জেনারেটরের জন্য ডিজেল ব্যবহার হয় প্রতিদিনই। এক হাসপাতাল সংস্থার কর্ণধার বলেন, বড়ো কোনো অপারেশনের সময় বিদ্যুতের উপর ভরসা করা যায় না। বিদ্যুৎ সরবরাহে কয়েক সেকেন্ডের বিঘ্নও জীবন-মৃত্যুর সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাই পুরো অপারেশনটাই ডিজেল জেনারেটর চালিয়ে সারতে হয়। তাই দরকার পড়লে নিকটবর্তী পাম্প থেকে ডিজেল কেনা হয়। সরকারের বিধিনিষেধে সেটা আর সম্ভব হবে না। এমনিতে বড়ো ক্রেতাদের জন্য আলাদা সরবরাহ শৃঙ্খল রয়েছে। সেখানে দিল্লিতে লিটার প্রতি ডিজেলের দাম পড়ে ১৩৪ টাকা ৫০ পয়সা। অথচ পাম্পের ডিজেলের দাম ৯৫ টাকা ২০ পয়সা। তাই খরচ বাঁচাতে বড়ো সংস্থাগুলি পাম্প থেকে ডিজেল কিনতে শুরু করেছে। তাতে মে মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত তিন তেল সংস্থা আইওসি, বিপিসিএল, এইচপিসিএলের খুচরো ডিজেলের বিক্রি ৬.৪ শতাংশ বেড়েছে।



