স্টলের উপর আক্রমণ অব্যাহত! বারাসতে রক্তাক্ত বামেরা
  • ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:২৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাম ঐক্য দেখা গিয়েছিল আগেই। জ্ঞানেশ ইস্যুতে দিল্লিতে কাছাকাছি এসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সিপিএম। এবার যাদবপুরে সিপিএমের বুক স্টলে পুলিশি আক্রমণের পর দ্বিতীয় সপ্তমী সকালে সেখানে হাজির হলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। নিন্দা করলেন আক্রমণের। সঙ্গে ছিলেন শতরূপ ঘোষ। আবার বিকেলে ওই স্টলে দেখা গেল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারকে। সন্ধ্যায় শুভঙ্করবাবুর সঙ্গে খোশ মেজাজে আড্ডা দিতে দেখা গেল সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে।

Advertisement

প্রথম সপ্তমীর দিন বিকেল থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী বামেদের সমস্ত স্টল ভাঙার জন্য তৎপর ছিল। এসেছিল ময়লা ফেলার গাড়ি। একটি বুলডোজার আসতেই তা প্রতিরোধের মুখে পড়ে। শেষ পর্যন্ত মানবাধিকার সংগঠনের একটি স্টল ও এসইউসির স্টল ভাঙা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠি চার্জের মুখে পড়েন এসএফআই সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য, সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য সুদীপ সেনগুপ্ত সহ অন্যান্যরা। দ্বিতীয় সপ্তমীর সকালে দেখা যায়, সিপিআই (এমএল) লিবারেশন দলের ছাত্র সংগঠন আইসার স্টল পুলিশি হস্তক্ষেপে ফের খোলা হয়। সকালে ফের সেই স্টল তৈরি করা হয়।

এরই মাঝে কুণালবাবু সিপিএমের স্টলে এসে পুলিশি আক্রমনের তীব্র নিন্দা করেন। তিনি কিছু বই কিনে নিয়ে যান। সকালে এস ইউ সি আই রাজ্য সম্পাদক চণ্ডীদাস ভট্টাচার্য, তরুণ নস্কর সহ অন্যান্যরা যাদবপুরের স্টলে আসেন। তারা যাদবপুরে তাদের ভেঙে দেওয়া স্টলের সামনে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সৃজন জানিয়েছেন, স্টল নিয়ে হাইকোর্টে করা মামলার পরবর্তী শুনানি ২০ তারিখ হবে। খানিক স্বস্তি নিয়েই সপ্তমী র দ্বিতীয় দিন নির্বিঘ্নে কেটেছে যাদবপুরের সিপিএমের। বামেদের সমস্ত স্টলেই চোর বাগানের ঘটনায় মৃতদের প্রতি সমবেদনা জানায়। যদিও বারাসতে নবপল্লির ভদ্র বাড়ি এলাকায় স্টল করার জন্য সিপিএম কর্মী সমর্থকদের রক্তাক্ত হতে হয়েছে বলে খবর। অন্যদিকে, এই স্টল ভাঙাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন রুপোলি পর্দার মানুষজন। গায়ক রূপম ইসলাম, অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় এই কার্যকলাপের বিরোধিতা করেছেন।