নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা বারুইপুর: পঞ্চমীতে দুপুরের পর থেকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে ঠাকুর দেখা কিছুটা পণ্ড হয়েছিল। ষষ্ঠীতে ঝলমলে আকাশ, তার সঙ্গে ভ্যাপসা গরমে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত জমাটি ভিড় না হলেও ঠাকুর দেখতে অনেকেই বেরিয়ে পড়েন। সন্ধ্যার পর রাত যত বেড়েছে, মণ্ডপে মণ্ডপে কালো মাথার ভিড় বেড়েছে। গড়িয়া, নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর থেকে শুরু করে বারুইপুর, জয়নগর, মহেশতলা, ডায়মন্ডহারবারের কিছু অংশ সন্ধ্যার পর থেকে জমজমাট হয়ে ওঠে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ঠাকুর দেখা শুরু হয় গড়িয়ার নবদুর্গা দিয়ে। কলকাতা ঘেঁষা এই পুজো বরাবরই দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয়। সন্ধ্যার পর থেকে গড়িয়ার মূল রাস্তায় গাড়ির গতি অত্যন্ত কমে যায়। পায়ে হেঁটে ঠাকুর দেখার এনার্জি দেখা যায় কম বয়সিদের মধ্যে। রাস্তাঘাটে পর্যাপ্ত পুলিশ থাকলেও ভিড়ের চাপে তারাও যেন কিছুটা দিশাহারা।
সোনারপুরের নামী পুজোগুলির মধ্যে এলাচি রামচন্দ্রপুর মিলন সংঘ, কোদালিয়া নেতাজি সংঘ সহ বিভিন্ন মণ্ডপে এদিন দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছিল। উদ্যোক্তাদের মতে, আজ শনিবার সপ্তমী থেকে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ ঠাকুর দেখতে আসবেন। বারুইপুর স্টেশনে নামলেই পরপর একাধিক বড়ো পুজো রয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত জমাটি ভিড় সেখানে দেখা না গেলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠাকুর দেখার লাইন পড়ে যায় বিভিন্ন প্যান্ডেলের সামনে। ভিড়ের চাপে দুপুরের পর থেকেই বহু অংশে অটো চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। তাতে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয় দর্শনার্থীদের। কিন্তু বেশিরভাগই হেঁটে প্যান্ডেল হপিং করেন। যানজট তৈরি হয়। বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা যায় নিত্যযাত্রীদের। এদিকে, এদিন বিকালে জেলায় দেবী দুর্গার সম্মান ঘোষণা করা হয়। সেরা পুজো হিসাবে পুরস্কার পেল ডায়মন্ডহারবারের ব্যাংকপাড়া সর্বজনীন, আলিপুর সদর মহকুমার অগ্রগামী অ্যাথলেটিক ক্লাব এবং কাকদ্বীপের গোবিন্দপুর বালক সংঘ।



