Bartaman Logo
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বোর্ডের নির্দেশ মেনেই নাকভির থেকে ট্রফি নেননি হরমনপ্রীতরা

গত বছর ভারতের পুরুষ দল এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কিন্তু এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভির হাত থেকে ট্রফি নেননি সূর্যকুমার যাদব।

বোর্ডের নির্দেশ মেনেই নাকভির থেকে ট্রফি নেননি হরমনপ্রীতরা
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

দুবাই: গত বছর ভারতের পুরুষ দল এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কিন্তু এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভির হাত থেকে ট্রফি নেননি সূর্যকুমার যাদব। সেই ট্রফি এখনও পায়নি টিম ইন্ডিয়া। রবিবার রাতে ভারতের মহিলা দলও ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নাকভির থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকার করে। এটাকে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডেরই (বিসিসিআই) সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন সচিব দেবজিৎ সইকিয়া। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নাকভি যেন ট্রফি না দেন, এমন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নাকভি অনড় ছিলেন। সেজন্যই ট্রফি ছাড়াই উৎসবে মেতে ওঠে হরমনপ্রীত কাউর ব্রিগেড।

Advertisement

সংবাদ সংস্থাকে বিসিসিআই সচিব বলেছেন, ‘আমাদের অবস্থান আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল এসিসি-কে। নাকভির হাত থেকে ট্রফি নেওয়া সম্ভব নয়, বলেছিলাম আমরা।’ সেজন্য, এসিসি’র ডেপুটি চেয়ারম্যানকে ট্রফি দেওয়ার প্রস্তাব দেয় বিসিসিআই। কিংবা আগের মতো জয়ী দলকে সেই দেশের বোর্ডপ্রধান ট্রফি দিক, জানায় বোর্ড। অতীতে এমন দৃষ্টান্ত রয়েছে। কিন্তু এসিসি প্রধান তাতে কর্ণপাত করেননি। বিসিসিআই সেজন্যই সুর চড়িয়েছে। তবে ফাইনাল শেষ হতেই রয়্যাল বক্সে বসা নাকভি উঠে দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানান বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা ও দেবজিৎকে। তাঁদের কথাবার্তা বলতেও দেখা যায়। এটা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
এদিকে, ট্রফি না নেওয়া প্রসঙ্গে ভারতের মহিলা দলের কোচ অমল মুজুমদার বলেছেন, ‘বোর্ডের ট্রফি না নেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমরা সমর্থন জানিয়েছি। আমাদের কাছে এশিয়া কাপ এখন শেষ। আর তাতে আমরাই চ্যাম্পিয়ন। ট্রফি পেলাম কিনা সেটা বড়ো কথা নয়। এবার আমাদের ফোকাস এশিয়ান গেমসে।’ ভারতের ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীতের কথায়, ‘আমরা নিজেদের মান বজায় রেখে খেলেছি। দাপটে চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে খুশি। প্রতিযোগিতা জুড়েই মেয়েরা সেরাটা উজাড় করে দিয়েছে।’ আলাদা করে শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানার প্রশংসা করেছেন হরমনপ্রীত। ফাইনালে দু’জনে প্রথম উইকেটে যোগ করেন ১২৯ রান। ক্যাপ্টেনের মতে, ‘দুবাইয়ের মন্থর পিচে ব্যাট করা মোটেই সহজ ছিল না। কিন্তু আমাদের ওপেনাররা অবিশ্বাস্য খেলেছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ