Bartaman Logo
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

পড়ুয়া ভরতির অনুমোদন খড়্গপুর বাদে রাজ্যের সব হোমিয়োপ্যাথিক কলেজকে

কেন্দ্রীয় সংস্থার হুঁশিয়ারিতে কিছুটা কাজ হল বাংলার হোমিয়োপ্যাথিতে

পড়ুয়া ভরতির অনুমোদন খড়্গপুর বাদে  রাজ্যের সব হোমিয়োপ্যাথিক কলেজকে
  • ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় সংস্থার হুঁশিয়ারিতে কিছুটা কাজ  হল বাংলার হোমিয়োপ্যাথিতে। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকা ছাড়াও একাধিক কারণে রাজ্যের তিনটি প্রাইভেট হোমিয়োপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের ছাত্র ভরতির ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল হোমিয়োপ্যাথি শিক্ষার শীর্ষ সংস্থা এনসিএইচ বা ন্যাশনাল কমিশন ফর হোমিয়োপ্যাথি। কলেজ তিনটি হল হাওড়ার নিতাইচরণ, বর্ধমান ও আসানসোলের হোমিয়োপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

Advertisement

এনসিএইচ সূত্রে খবর, স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা, শিক্ষকদের বেতন কাঠামো সংস্কারসহ একাধিক বিষয় শুধরে নিয়ে ফের আবেদন করায় তিন কলেজকে ভরতির অনুমোদন ফিরিয়ে দিয়েছে শীর্ষ সংস্থা।  আরও সুখবর হল, রাজ্যের চার সরকারি হোমিয়োপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ডিএন দে, ক্যালকাটা, মহেশ ভট্টাচার্য এবং মেদিনীপুর শর্তসাপেক্ষে নিজেদের পূর্ণ ক্ষমতাতেই ছাত্রছাত্রী ভরতি করতে পারবে। চারটি কলেজের বিএইচএমএস আসনসংখ্যা ৬৩টি করে। এবারও তাই থাকছে। তবে ছ’টি প্রাইভেট হোমিয়োপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের (খড়্গপুর বাদে) প্রতিটির ক্ষেত্রেই এবার আসন কমেছে। কমিশনের নতুন সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরেছে হোমিয়োপ্যাথির জাতীয় প্রতিষ্ঠান সল্টলেকের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিয়োপ্যাথি বা এনআইএইচ-এ। এনসিএইচ-এর অভ্যন্তরীণ নোটে একাধিক খামতির কথা  থাকলেও শেষ পর্যন্ত মানসম্মান বজায় রেখে ১২৬টি বিএইচএমএস আসনের সবক’টিই রক্ষা করেছে তারা। তবে তাদের গলার কাঁটা হয়ে বিঁধে থাকবে সবশেষে পাওয়া অনুমোদনের চিঠি!  সূত্রের খবর, অনুমোদনহীন থাকার লজ্জা বহন করতে না হলেও কমিশনের কড়াকড়িতে এবারে ১৬৪ আসন হারাতে হয়েছে রাজ্যের কলেজগুলিকে। পশ্চিমবঙ্গের ১২টি হোমিয়োপ্যাথিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট বিএইচএমএস আসনের সংখ্যা ৭৪৮। অনুমোদন মিলেছে ৫৮৪টিতে। গত বছরও সবক’টি আসনের অনুমোদন পায়নি রাজ্যের বেশ কয়েকটি হোমিয়োপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ। তবে এই ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খড়্গপুর হোমিয়োপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এবার আবেদনই না জানানোয় আসন্ন শিক্ষাবর্ষে তারা ছাত্রছাত্রী ভরতি করতে পারবে না।
এনসিএইচ-এর এডুকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ রজত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘যেটুকু কড়াকড়ি করা হয়েছে, তা ছাত্রছাত্রী এবং জনস্বার্থে। এর ফলে অনুমোদন বাতিল হওয়া কলেজগুলি স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করেছে, শিক্ষকদের বেতন কাঠামোর সংস্কার হয়েছে। কিছুটা হলেও পরিকাঠামোগত ঘাটতি সংশোধন হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাজিরার মান অনেক ভালো হয়েছে। দেশের স্বার্থে আমাদের এই সংস্কার চলতে থাকবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ