Bartaman Logo
৬ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নবান্নে ভুয়ো পরিচয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ঘটনায় ধৃত আরও এক

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে নবান্নে ঢুকে পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দারের সঙ্গে দেখা করার ঘটনায় তদন্ত যত এগচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নাম।

নবান্নে ভুয়ো পরিচয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ঘটনায় ধৃত আরও এক
  • ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে নবান্নে ঢুকে পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দারের সঙ্গে দেখা করার ঘটনায় তদন্ত যত এগচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নাম। দিল্লি থেকে আকাঙ্খা বিদ্যার্থীকে গ্রেপ্তারের পর এবার কলকাতার পঞ্চসায়র থেকে অভিজিৎ মাহাত নামের আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল শিবপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, আকাঙ্খার সঙ্গে তিনিও নবান্নে গিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এদিন তাঁকে হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক তিনদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, আকাঙ্খাকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে অভিজিতের নাম উঠে আসে। জেরায় পাওয়া তথ্য যাচাই করে পুলিশ জানতে পারে, নবান্নে যাওয়ার সময় আকাঙ্খার সঙ্গে ছিলেন অভিজিৎ। তাঁর কোচবিহারের মাথাভাঙায় একটি আইটি কলেজ রয়েছে। সেটি চালাতে গিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সেই সমস্যা মেটাতে নবান্নে পূর্তমন্ত্রীর কাছ গিয়েছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তবে তদন্তের পরিধি এখানেই থামছে না। পুলিশ সূত্রে দাবি, এই ঘটনায় আরও এক ব্যক্তির সন্ধান চলছে। তদন্তে আসানসোলের এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর নামও উঠে এসেছে। তৃণমূলের আমলে ওই ব্যবসায়ীর যথেষ্ট প্রভাব ছিল বলে জানা গিয়েছে। পালাবদলের পর তাঁর ব্যবসায় নানা সমস্যার সূত্রপাত হয়। সেই সমস্যা মেটাতে তিনি এবং তাঁর পরিচিতরা পূর্তমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেয়েছিলেন বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন।

Advertisement

এই সূত্রেই আকাঙ্খার সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর যোগাযোগ হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সদস্যের পরিচয় দিয়ে আকাঙ্খা নবান্নে ঢোকেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ওই ব্যবসায়ীর দুই আত্মীয়। তাঁদের মধ্যে অভিজিৎ ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। কীভাবে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে তিনজন নবান্নের মতো হাই সিকিউরিটি বিল্ডিংয়ে ঢুকে পড়লেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে হাওড়া সিটি পুলিশের তদন্তকারী দল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ