নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: লালকেল্লার সামনের রাস্তায় ২০২৫ সালে বিস্ফোরণে যুক্ত থাকা অভিযুক্তদের কাছে পাওয়া গিয়েছে আল কায়েদার বিলি করা পুস্তিকা। পুস্তিকার নাম ‘লোন মুজাহিদ’। শুধুই যে লালকেল্লার বিস্ফোরণে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের থেকেই উদ্ধার হয়েছে সন্ত্রাসের প্ররোচনা দেওয়া পুস্তিকা এমন নয়। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি জানতে পেরেছে যে, বিভিন্ন রাজ্যে কয়েক বছর ধরে এই পুস্তিকা পৌঁছে যাচ্ছে। পুস্তিকার প্রতিপাদ্য হল, কীভাবে হত্যাকারী হতে হয়। এককভাবে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে বড়সড় গণহত্যার পরিবেশ সৃষ্টি করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও নির্দেশিকা দেওয়া আছে ওই পুস্তিকায়। লালকেল্লা বিস্ফোরণের তদন্তের চার্জশিটেই এই পুস্তিকার কথা উল্লেখ করেছে এনআইএ। বিস্ফোরক এবং অস্ত্র সহ প্রযুক্তি সংক্রান্ত গাইডলাইন বলা যেতে পারে এই পুস্তিকাকে। কোন কোন রাজ্য অথবা শহরে এই পুস্তিকা পৌঁছেছে সেই তদন্ত করছে এনআইএ। আরও যে নথি ও বই পাওয়া গিয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে, জিহাদের প্রয়োজনীয়তা কী? জিহাদের ২১টি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী? এনআইএ মনে করছে বিস্ফোরক বহন করে যে ডাক্তারি ছাত্রের মৃত্যু হয়েছিল, সেই উমর উন নবির কাছে আনসার-গাজওয়াত-উল হিন্দ সংগঠনের মাধ্যমে নথি ও পুস্তিকাগুলি এসেছে। উমর নবি শুধুই এই নামে অপারেশন ও যোগাযোগ গড়ে তুলত না। তার একাধিক নাম ছিল, কখনও রাহুল ভাট, কখনও পিন্ডা এরকম নামেও সে পরিচয় দিয়েছে। এনআইএ চার্জশিট অনুযায়ী এই উমর নবি মডিউল ২০২২ সাল থেকে সন্ত্রাসের পরিকল্পনায় যুক্ত হয়।



