নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে উর্ধ্বমুখী বিমানের জ্বালানির দাম। চাহিদা কমেছে বিমানের টিকিটেরও। ফলে লাগাতার লোকসানের মুখে পড়ছে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগেই আন্তর্জাতিক উড়ান সংখ্যা হ্রাসের ঘোষণা করেছিল এয়ার ইন্ডিয়া।এবার অন্তর্দেশীয় বিমানেও কাটছাঁট লোকসানে থাকা এই বিমান সংস্থাটির। সূত্রের খবর, ২০ থেকে ২২ শতাংশ অন্তর্দেশীয় উড়ান কমানো হবে। পাশাপাশি আরেক বিমান সংস্থা ইন্ডিগোও ৫ থেকে ৭ ঘরোয়া উড়ান কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রসঙ্গত, অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবার ৯০ শতাংশই এই দুই বিমান সংস্থার।
প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৪,৪০০ উড়ান পরিচালনা করে এয়ার ইন্ডিয়া। যার মধ্যে ৩৬০০ অন্তর্দেশীয় ও ৮০০ আন্তর্জাতিক। ইতিমধ্যেই প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১২৫টি আন্তর্জাতিক উড়ান কমানো হয়েছে। বুধবার এয়ার ইন্ডিয়ার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘আগেই ২০২৬ সালের জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবা কমানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার একই সময়ে বেশ কিছু অন্তর্দেশীয় রুটেও পরিষেবা হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ সেক্ষেত্রে প্রায় ৮০০ অন্তর্দেশীয় উড়ান পরিষেবা কমানো হবে বলে এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রে খবর। পাশাপাশি সংস্থাটি জানিয়েছে, চাহিদা ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের উড়ান সংখ্যা বাড়ানো হবে।
একই পদক্ষেপের ঘোষণা করেছে ইন্ডিগোও। ৫ থেকে ৭ শতাংশ অন্তর্দেশীয় উড়ান কমাচ্ছে তারা। আগেই ১৭ শতাংশ আন্তর্জাতিক উড়ান কমিয়েছিল সংস্থাটি। সংস্থা সূত্রে খবর, সাধারণত এই সময়ে টিকিটের চাহিদা কমই থাকে। সেই কথা মাথায় রেখেই পরিষেবা কমানো হয়েছে। দিনে ৯৫০টিরও বেশি উড়ান পরিচালনা করে ইন্ডিগো। শতাংশের হিসেবে কম হলেও এই বদল বড়সড় প্রভাব ফেলবে।