Bartaman Logo
৩০ মে, ২০২৬

খরিফে উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে জৈবিক চাষেও জোর দেওয়ার বার্তা কৃষিমন্ত্রীর

গোটা দেশের জন্য একই পন্থা নয়। রাজ্যভিত্তিক কৃষি নীতি তৈরির পক্ষে জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লির পুসায় রাজ্যের কৃষিসচিবদের নিয়ে বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

খরিফে উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে জৈবিক চাষেও জোর দেওয়ার বার্তা কৃষিমন্ত্রীর
  • ২৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গোটা দেশের জন্য একই পন্থা নয়। রাজ্যভিত্তিক কৃষি নীতি তৈরির পক্ষে জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লির পুসায় রাজ্যের কৃষিসচিবদের নিয়ে বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। একইসঙ্গে এদিন খরিফ সম্মেলনের উদ্বোধন করে তিনি জানান, যত বড়ো সংকটই আসুক ভারতে খাদ্যের অভাব হবে না। ‘এল নিনো’ নিয়েও চিন্তার কিছু নেই। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছরে দেশে খাদ্যশস্য উৎপাদনে নতুন রেকর্ড হতে চলেছে। এখনো পর্যন্ত মাঠে যে চাষ হচ্ছে, তার আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী, এবছর মোট ৩,৭৬৫.৬৩ লক্ষ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হতে পারে। যা গত বছরের তুলনায় ১৮৮ লক্ষ টন বেশি।’

Advertisement

প্রবল তাপপ্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন, পশ্চিম-এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সারের জোগানের মতো সমস্যার কথা মাথায় রেখে মন্ত্রী বলেন, ‘জৈবিক চাষে জোর দিতে হবে। উন্নত বীজ ব্যবহার করার পাশাপাশি চাষের পদ্ধতি বদল করতে হবে। জোর দিতে হবে উৎপাদন বৃদ্ধিতে।’ তিনি আরও জানান, প্রতিটি রাজ্যের আবহাওয়া আলাদা। সংবিধান মোতাবেক কৃষি রাজ্যের বিষয়, তাই কেন্দ্র কিছু চাপিয়ে দেবে না। রাজ্য তার নিজের মাটি, জলবায়ু বিচার করেই কৃষি নীতি তৈরি করবে।
‘খরিফ সম্মেলন ২০২৬’ চলবে দু’দিন। আজ আলোচনা হবে বিভিন্ন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে। আর এই সম্মেলনে যদি কোনো রাজ্যের মন্ত্রী যোগদান না করেন, তাঁদের উদ্দেশে ইতিমধ্যে কড়া বার্তা শুনিয়েছেন শিবরাজ। তিনি বলেন, ‘দেশের উৎপাদন বাড়ানোর সবচেয়ে বড়ো সম্মেলনে যদি কেউ উপস্থিত না হন, তাহলে তিনি সেই পদে থাকার যোগ্য নন। এমন ব্যক্তিদের সরিয়ে দেওয়া উচিত। এর জন্য প্রয়োজনে আমি সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখব।’
এদিনের সম্মেলনে রাজ্যে রাজ্যে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ইস্যুতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী। বলেন, ‘গোটা দেশে প্রায় ১২ কোটি কৃষক রয়েছে। কিন্তু এখনো মাত্র সাড়ে সাত কোটি কিষাণ ক্রেডিট কার্ড কেন? এতে তো কৃষকের কৃষি ঋণ পেতে সমস্যা হচ্ছে।’ সব কৃষকেরই কিষাণ ক্রেডিট কার্ড থাকা উচিত ব঩লে মন্তব্য করেন তিনি।

সম্পর্কিত সংবাদ