নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ঘোষিত আরামবাগ জেলার সীমানা নির্ধারণ করতে শুক্রবার হুগলি জেলা প্রশাসন বৈঠকে বসে। আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল, পুরশুড়া, তারকেশ্বর, হরিপালের বিধায়করা এবং হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নতুন আরামবাগ জেলার সীমানা কী হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে এব্যাপারে প্রশাসনের তরফে কিছু জানানো হয়নি।
বিধায়করা জানিয়েছেন, কোন কোন বিধানসভা এলাকা নিয়ে আরামবাগ জেলা গঠিত হবে, তা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সেই প্রস্তাব রাজ্যের কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। আরামবাগ মহকুমা ছাড়াও তারকেশ্বর, হরিপাল, পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা, বাঁকুড়ার কোতুলপুর বিধানসভা এলাকাকে নতুন জেলায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় কি না, সেই ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। তারসঙ্গে নতুন জেলায় কটি ও কোথায় মহকুমা হবে, সেই নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়।
গোঘাটের বিধায়ক প্রশান্ত দিগার বলেন, কামারপুকুরকে মহকুমা করে পাশের দু’টি বিধানসভাকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রেখেছি। তারসঙ্গে ভিকদাসে জেলা পুলিশ লাইন গড়ার জন্য জমি রয়েছে। সেই ব্যাপারেও প্রস্তাব জানানো হয়েছে। অন্যান্য বিধানসভাকে মহকুমা করার প্রস্তাব বিধায়করা জানিয়েছেন। খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষও সেখানে মহকুমা গড়ার প্রস্তাব রেখেছেন। পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, আরামবাগ সদর ও পুরশুড়ায় দু’টি পৃথক মহকুমা গড়ার ব্যাপারে প্রশাসনের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এই ব্যাপারে রাজ্য সিদ্ধান্ত নেবে।