Bartaman Logo
১৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রানিবাঁধের ঘোড়াধরার পশু হাট চালুর দাবিতে আদিবাসী কুড়মি সমাজের মিছিল, পথসভা

রানিবাঁধের ঘোড়াধরা পশু হাট চালুর দাবিতে আদিবাসী কুড়মি সমাজের মিছিল। সরকারি নিয়ম মেনে হাট চালু করতে হবে, দাবি আন্দোলনকারীদের। বিস্তারিত পড়ুন।

রানিবাঁধের ঘোড়াধরার পশু হাট চালুর দাবিতে  আদিবাসী কুড়মি সমাজের মিছিল, পথসভা
  • ১৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, খাতড়া: রানিবাঁধের ঘোড়াধরা হাটে গোরু,কাড়া, মহিষ ও অন্যান্য পশু কেনাবেচা ফের চালুর দাবিতে ও এলাকার মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে আদিবাসী কুড়মি সমাজের সভা ও মিছিল। শনিবার আদিবাসী কুড়মি সমাজের রানিবাঁধ ব্লক কমিটির ডাকে এই কর্মসূচি হয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারি  নিয়ম মেনেই সম্পূর্ণভাবে চালু হোক এই হাট। আগামীদিনে এই হাট চালু না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। যদিও রানিবাঁধ ব্লক প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ঘোড়াধরার পশুহাট চালু রয়েছে। এমনকি, সেখানে একজন মেডিকেল অফিসারও মজুত থাকছেন হাটের দিনগুলিতে। সরকারি নির্দেশিকা মেনেই ওই পশু হাটে কেনাবেচা করতে হবে । 

Advertisement

উল্লেখ্য রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন সরকার আসার পরেই হাট গুলিতে গোরু ও পশু বিক্রির উপর নয়া নির্দেশিকা জারি হয়। সেই নির্দেশিকা মেনেই হাটে পশু কেনাবেচা করতে হবে ব্যবসায়ীদের। এই নির্দেশিকার পর রাজ্যজুড়ে বড়ো বড়ো হাটগুলিতে গোরু, কাড়া ও মহিষ সহ নানা পশুর বেচাকেনায় ভাঁটা দেখা দেয়। একপ্রকার থমকে যায় পশু হাটগুলি। একই ছবি ফুটে উঠেছে রানিবাঁধের হলুদকানালি অঞ্চলের ঘোড়াধরা পশু হাটেও। পরে হাট চালু নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন সহ বিধায়কের উপস্থিতিতে বৈঠকও হয়। হাটে একজন পশু চিকিৎসক ও নির্দিষ্ট দিনগুলিতে বসানোর সিদ্ধান্ত হয় এই বৈঠকে। এমনকি, হাট চত্বরে পশুপালকদের বিক্ষোভের ছবিও ফুটে উঠেছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই না হওয়ায় এদিন রাস্তায় নামেন আদিবাসী কুড়মি সমাজ সংগঠনের সদস্যরা।
হাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসনের তরফে হাটে একজন পশু চিকিৎসককে বসালেও, সেই চিকিৎসক গোরু, মহিষ ও কাড়া সহ অন্যান্য পশুর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত জানালেও  শংসাপত্র দিতে সক্ষম নন। ফলে ব্যবসায়ী থেকে পশুপালকরা কিন্তু বেঁকে বসেছেন। যার কারণেই এই পশু হাটের করুণ দশা বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষের একটি অংশ। আদিবাসী কুড়মি সমাজের অন্যতম নেতা সঞ্জয় মাহাত বলেন, ঘোড়াধরা হাট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও হাট চালু করতে পারেনি। এই হাট চালু না হওয়ায় পশুপালক থেকে পাইকার ও কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত সবাই ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তাই এলাকার মানুষের রুটি রুজির স্বার্থে এবং সরকারের নতুন নিয়ম মেনেই ঘোড়াধরার প্রাচীন পশু হাট চালু হোক।  রানিবাঁধে আদিবাসী কুড়মি সমাজের মিছিল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ