গুরুগ্রাম: অপহরণের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পুলিসি অত্যাচারের ভয়ে আত্মঘাতী হলেন অভিযুক্ত সেই যুবক। তারপর অবশ্য জানা যায়, নিখোঁজ মহিলা পালিয়ে গিয়েছিলেন অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে। গুরুগ্রামের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, অর্জুন সিং নামক ওই যুবক খোয়াজপুর গ্রামের বাসিন্দা। সিএনজি পাম্পে কাজ করতেন। ২০ বছর বয়সি কুমকুমকে অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছিল অর্জুনের বিরুদ্ধে। গত ৭ মে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। কুমকুমের পরিবার জানায়, গত ২ মে কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল মেয়ে। আর ফেরেনি। দু’দিন পর কুমকুমের পরিবারের সদস্যরা অর্জুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন থানায়। তারপর থেকে একাধিকবার অর্জুনের বাড়িতে গিয়েছে পুলিস। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অর্জুনের বোন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর পুলিস অত্যাচার করতে পারে বলে আশঙ্কায় ভুগত দাদা। বারবার নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করত। ৭ মে আত্মহত্যা করেন অর্জুন। তারপর জানা যায়, মোহিত নামের অন্য এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন কুমকুম। তাঁদের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে। কুমকুমের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেছেন অর্জুনের বাবা।



