চেন্নাই ও নয়াদিল্লি: মঙ্গলে সমালোচনা, বুধে সমর্থন। ‘প্রাক্তন’ জোটসঙ্গী কংগ্রেসকে নিয়ে ডিএমকে-র সাপ-লুডো অব্যাহত। দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলের দিনই কংগ্রেস তথা রাহুল গান্ধীর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল এম কে স্ট্যালিনের দল। তবে, ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল তামিলনাড়ুর প্রাক্তন শাসকদল। ভোল বদল করে বলল, সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করাটা নাগরিকদের অধিকার। গতকাল রাহুল সেই কাজটাই করেছেন। গতকাল রাহুলের নেতৃত্বে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার চলে দিল্লিতে। এসআইআর বাতিল ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে বরখাস্তের দাবিতে রাজধানীতে শক্তি প্রদর্শন করে বিরোধী শিবির। যদিও তার মধ্যেই এক্স হ্যান্ডলে ‘বেসুরো’ পোস্ট করেন ডিএমকে-র মুখপাত্র সর্বানন আন্নাদুরাই। তাঁর তোপ, এসআইআর নিয়ে রাহুলের অবস্থান ‘সামঞ্জস্যপূর্ণ’ নয়। কিন্তু প্রাক্তন শরিক সম্পর্কে এহেন মূল্যায়ন কেন? আন্নাদুরাই লেখেন, তামিলনাড়ুতে এসআইআরের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এসআইআর ইস্যুতে কমিশনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আন্দোলনে তামিলনাড়ুর পরিস্থিতি সমান গুরুত্ব পাচ্ছে না। সেই সূত্রেই তামিলনাড়ু নিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতার ‘নীরবতা’য় প্রশ্ন তোলেন তিনি। তবে সেই কড়া পোস্টের পরের দিনই সুরবদল করল ডিএমকে। বুধবার স্ট্যালিনের দলের আর এক মুখপাত্র টি কে এস এলানগোভান বলেন, জ্ঞানেশ কুমার ‘অগণতান্ত্রিক’। তাঁর মতো একজন ব্যক্তি যদি কমিশনের সর্বোচ্চ পদে বসে থাকেন তাহলে কীভাবে নির্বাচন স্বচ্ছ হবে? তাঁকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করাটা নাগরিকদের অধিকার। গতকাল রাহুল সেই কাজ করেছেন। রাহুল জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করুন, এই সরকার তা চায় না।



