সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: কোথাও মণ্ডপবিহীন প্রতিমাকে আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে। কোথাওবা থিমের ছোঁয়ায় মণ্ডপ সাজিয়ে তোলা হয়েছে। কাকদ্বীপে এবার নানা ভাবনায় সেজে উঠেছে পুজো মণ্ডপগুলি। কাকদ্বীপ মাইতিরচক ইয়ংস্টার ক্লাবের এবছরের পুজোর থিম মহারূপে মহামায়া। এখানে ৫১ ফুটের দুর্গা। প্লাস্টার অব প্যারিস ও পুট্টির মাধ্যমে পুরো প্রতিমা গড়ে তোলা হয়েছে। রথযাত্রার দিন প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। এ বিষয়ে ক্লাবের কর্মকর্তা শঙ্কর দাস বলেন, ‘এবছর ক্লাবের পুজো পঞ্চম বছরে পদার্পণ করেছে। মণ্ডপের দিকে নজর না দিয়ে, আমরা প্রতিমাকেই আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করেছি। প্রতিদিন এখানে ভিডিয়োগ্রাফির মাধ্যমে দেবীর আবির্ভাবের কাহিনি তুলে ধরা হবে।’
কাকদ্বীপ কিশোর সংঘের এবছরের পুজোর থিম ‘জগন্নাথের চেতনায়, জগৎজননী’। এখানে মণ্ডপের ভিতরে জগন্নাথদেবের বিভিন্ন রূপকে তুলে ধরা হয়েছে। মণ্ডপটি তৈরি করার ক্ষেত্রে সুতলি দড়ি, পাট ও পাটের বস্তা ব্যবহার করা হয়েছে। দেবীকে মহিষাসুরমর্দিনী রূপে উপস্থাপনা করা হয়েছে। পুজো কমিটির সম্পাদক কুন্তল রায় বলেন, ‘এবছর সংঘের পুজো ৮৫ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। কাকদ্বীপের প্রাচীন পুজো হিসেবে এর ঐতিহ্য রয়েছে। পুজো মণ্ডপের সামনে দর্শনার্থীদের আনন্দ দেওয়ার জন্য বিনোদন মেলারও আয়োজন করা হয়েছে।’ কাকদ্বীপ ভুটভুটি ঘাটে পল্লি বাংলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব ট্রাস্টের এ বছরের পুজোর থিম ‘পল্লি বাংলায় বাউলের সুর’। মণ্ডপের চারদিকে পল্লি বাংলার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও বাউলদের গানের আসরের প্রতিচ্ছবি মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এখানে দেবীকে মহিষাসুরমর্দিনী রূপে উপস্থাপনা করা হয়েছে। এবিষয়ে ট্রাস্টের সভাপতি দেবব্রত মাইতি বলেন, ‘এবছর ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রথম দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছে। সংস্থার নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মণ্ডপটি গড়ে তোলা হয়েছে।’ নিজস্ব চিত্র



