Bartaman Logo
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ চিহ্নিত ৬৮টি হিমবাহ হ্রদ!

নেপালের হড়পা বানের স্মৃতি এখনও টাটকা। এরমধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীর সরকার জানিয়ে দিল, সেখানেও একইরকম বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে

‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ চিহ্নিত ৬৮টি হিমবাহ হ্রদ!
  • ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

শ্রীনগর: নেপালের হড়পা বানের স্মৃতি এখনও টাটকা। এরমধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীর সরকার জানিয়ে দিল, সেখানেও একইরকম বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীর সরকার জানিয়েছে, বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে এলাকার বেশ কয়েকটি হিমবাহ গলতে শুরু করেছে। বাড়ছে হিমবাহের গলনের ফলে গঠিত হ্রদের আয়তনও। সেগুলি যে কোনো মুহূর্তে হড়পা বানের চেহারা নিতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে এলাকার ৬১৬টির মধ্যে ৬৮টিকে সম্ভাব্য বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদ (পিডিজিএল) হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদিন বিধানসভায় ন্যাশনাল কনফারেন্সের বিধায়ক তনভীর সাদিকের প্রশ্নের উত্তরে সরকার জানিয়েছে, গ্লেসিয়াল লেক আউটব্রাস্ট ফ্লাডের (জিএলওএফএস) আশঙ্কা রয়েছে কিস্তোয়ার, গান্ধেরবাল, কুলগাম এবং অনন্তনাগ জেলায়। এলাকার হিমবাহ হ্রদগুলির উপর সর্বক্ষণ নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। 

Advertisement

সরকারের নির্দেশে ৬১৬টি হিমবাহ হ্রদের উপর সমীক্ষা চালিয়েছিল কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়। ১২টি জেলায় ২৮.৬২ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে এই হ্রদগুলি। সাম্প্রতিক কালে তীব্র গরমের সাক্ষী থেকেছে উপত্যকা। বরফের আশায় উপত্যকায় বেড়াতে গিয়ে অনেকেই হতাশ হয়েছেন। সরকারি তথ্য বলছে, মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং হড়পা বানের জেরে গত দু’বছরে ২৪ হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫ হাজার রাস্তা। অকেজো হয়ে পড়েছে ৪ হাজার জল প্রকল্প। নষ্ট হয়েছে এক লক্ষ হেক্টর কৃষিজমি। 
প্রকৃতির এই রোষের হাত থেকে উপত্যকাকে বাঁচানোর জন্য ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সরকার একটি কোর কমিটি গঠন করে। ১৭টি মানদণ্ডের ভিত্তিতে কমিটি ২৪টি বিপজ্জনক হ্রদকে এ, বি এবং সি ক্যাটিগরিতে চিহ্নিত করেছে। ন্যাশনাল রিমোর্ট সেন্সিং সেন্টারও (এনআরএসসি) ৫৫৪৬টি হিমবাহ হ্রদকে চিহ্নিত করে মানচিত্র প্রকাশ করেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ