নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ভুয়ো নথি দেখিয়ে একের পর এক সিম তোলা। পরে সেই সেই সিম চড়া দামে পৌঁছে দেওয়া হত সাইবার প্রতারকদের। পিছনে ছিল কলসেন্টার। এমনই একটি চক্রের হদিস পেয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল বারাসত সাইবার থানা। শনিবার ইকো পার্ক থানা এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হলেন বিশ্বজিৎ দাস, তপন গায়েন, ইরফান আলি, শেখ মাসুম এবং মেহেদি হাসান। এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু করছে পুলিশ। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মোবাইলের সিম বিক্রির চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করে বারাসত সাইবার থানা। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই পাঁচজনের নাম উঠে আসে। এরপরই তদন্তের গতিপথ বদলে যায়। ইকো পার্ক থানা এলাকায় নজরদারি শুরু করেন সাইবার থানার আধিকারিকেরা। পুলিশের দাবি, ভুয়ো নথি ব্যবহার করে একাধিক সিম কার্ড তোলা হত। আর সেই সিমগুলি পরে পৌঁছে দেওয়া হত সাইবার প্রতারকদের কাছে। প্রতারণার কাজে ওই সিম ব্যবহার করা হত বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের আরও দাবি, শুধু সিম সরবরাহ নয় কল সেন্টার তৈরি করেও চলত এই চক্রের কাজ। উদ্ধার হওয়া বেশকিছু ডায়েরিতে কল সেন্টার সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য রয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ধৃতদের কাছ থেকে ১৪টি মোবাইল ফোন, বেশকিছু সিম কার্ড এবং ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে। এই মোবাইল ও ডায়েরিতে থাকা তথ্য থেকেই চক্রের আরও সদস্য এবং তাদের কাজের ধরন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।



