Bartaman Logo
৯ অক্টোবর, ২০২৬

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের উপর ‘আক্রমণ’ সরব ৪২ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

নির্বাচন কমিশন, বিচারব্যবস্থা সহ দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির ‘পরিকল্পিত আক্রমণ’ চলছে। এমন অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ৪২ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের উপর ‘আক্রমণ’ সরব ৪২ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি
  • ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশন, বিচারব্যবস্থা সহ দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির ‘পরিকল্পিত আক্রমণ’ চলছে। এমন অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ৪২ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। রাজনৈতিক দল, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম এবং নাগরিকদের উদ্দেশে লেখা খোলা চিঠিতে গণতন্ত্রের আস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রত্যেকেরই দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তাঁরা। চিঠিতে তাঁদের বক্তব্য, কোনো অভিযোগ, মতবিরোধ থাকলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোলা রয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি আস্থা নষ্টের চেষ্টা না করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সমস্যার সমাধান হোক। 

Advertisement

উল্লেখ্য, এসআইআর ইস্যুতে বিরোধীদের আক্রমণের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। এই আবহে ওই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দাবি, তাঁদের কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। গণতন্ত্র বাঁচাতেই তাঁরা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন। রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিশানা করা হচ্ছে। কোনো উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই ‘ভোট চুরি’র মতো অভিযোগ তোলা হচ্ছে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তাঁদের মতে, গণতন্ত্রে সমালোচনার অধিকার সবার রয়েছে। কিন্তু কোনো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের অবমাননা কিংবা কালিমালিপ্ত করা গণতান্ত্রিক অধিকার হতে পারে না। কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়ার সমর্থনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা বলেন, ‘এটা কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী কমিশন যে কোনো সময় ভোটার তালিকা সংশোধন করতে পারে। দু’দশক আগেও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। একটি নির্ভুল ভোটার তালিকা দেশের প্রকৃত ভোটারদের অধিকার রক্ষা করে। রাজনৈতিক দলগুলির উচিত নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অবৈধ আখ্যা দেওয়ার চেষ্টা না করে বরং ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা। পাশাপাশি অভিযোগ নিয়ে আদালত ও কমিশনের দ্বারস্থ হওয়া।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ