বিষ্ণুপুরে পুজোর থিমে ৪০ ফুট রথ ও মায়ানমারের সিনবিউম প্যাগোডা
  • ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎ চোখে পড়তে পারে বিশালাকার রথ। আবার ঘুরতে ঘুরতে মনে হবে আপনি চলে এসেছেন মায়ানমারে। কারণ সেখানকার সিনবিউম প্যাগোডাই তো দেখতে পাচ্ছেন। বিষ্ণুপুরে এমন হরেক রকমের থিমের পুজো হচ্ছে।

Advertisement

মৌদি মিলন সংঘের ৬৬ তম বর্ষ এবার। তাদের থিমের নাম আর্তনাদ। এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে পুজো কমিটির সম্পাদক সূর্যদেব খাঁ বলেন, পৃথিবীতে গাছ কমছে। তার জন্য বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এটাই মানুষের আর্তনাদ। এই পরিস্থিতিতে অবাধে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে। সে কথা মাথায় রেখেই এই নামটি বেছে নেওয়া হয়েছে। পাঁচ লক্ষ টাকার বাজেটে হচ্ছে এই পুজো। থিমের সঙ্গে মানানসই ঠাকুর থাকবে। তবে পুজো করার জন্য পৃথক প্রতিমা রাখা হবে মণ্ডপে। চতুর্থীতে এই পুজোর উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে।
মৌদি ভ্রাতৃ সংঘ তাদের ৮১ তম বর্ষে বড়োসড়ো চমক উপহার দিতে চলেছে। মায়ানমারের সিনবিউম প্যাগোডার আদলে এই মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। মণ্ডপকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে সন্ধ্যার পর লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের ব্যবস্থা থাকবে। থিমের পুজো হলেও ঠাকুর এখানে সাবেকি ঘরানার। পুজো কমিটির দাবি, তাদের পুজো এবার মায়াবি আলোয় মাতবে। সব মিলিয়ে বাজেট ধরা হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকা।
এছাড়া ৪০ ফুটের রথ দেখা যাবে গাববেড়িয়া সন্ধানী সংঘে। এই রথই তাদের মণ্ডপ। দুটি ঘোড়া রথ টেনে নিয়ে যাচ্ছে, এইভাবে গড়া হচ্ছে প্যান্ডেল। এই পুজোর এবার ৯১তম বর্ষ। আলাদা কোনো থিম নয়। রথের উচ্চতাই পুজোর বিশেষ আকর্ষণ বলে মনে করছেন পুজো কমিটির সদস্যরা। কাপড়ের উপর থার্মোকল এবং ফোম দিয়ে বানানো হয়েছে রথ। ভিতরের সাজসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে। প্রতিমা সাবেকি, মণ্ডপে এসেও গিয়েছে। পুজো কমিটির সম্পাদক সঞ্জীব অধিকারী বলেন, আট লক্ষ টাকার বাজেটে পুজো করা হবে। কাজ শেষের দিকে। মঙ্গলবারের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে পুরোটা। পঞ্চমীতে মণ্ডপের উদ্বোধন হবে।