Bartaman Logo
৫ অক্টোবর, ২০২৬

বছরে ৩৬ থেকে ৪০টি যুদ্ধবিমান প্রয়োজন: এয়ার চিফ মার্শাল

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বায়ুসেনার গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। তাই অবিলম্বে আরও নতুন যুদ্ধবিমান প্রয়োজন। অন্যথায় তা যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ হবে। শনিবার এমনই মন্তব্য করলেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এ পি সিং।

বছরে ৩৬ থেকে ৪০টি যুদ্ধবিমান প্রয়োজন: এয়ার চিফ মার্শাল
  • ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বায়ুসেনার গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। তাই অবিলম্বে আরও নতুন যুদ্ধবিমান প্রয়োজন। অন্যথায় তা যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ হবে। শনিবার এমনই মন্তব্য করলেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এ পি সিং।

Advertisement

৯৪তম বায়ুসেনা দিবসের আগে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বায়ুসেনা প্রধান বলেন, সামনের কয়েকটা বছর অন্তত ৩৬ থেকে ৪০টি করে যুদ্ধবিমান বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস মার্ক-১এ এবং মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (এমআরএফএ) প্রকল্পের আওতায় রাফাল যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পাকিস্তানের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এয়ার চিফ মার্শাল। তিনি বলেন, বিষয়টি  চিন্তা করার মতোই। তবে ভারতও নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম। তার জন্য বায়ুসেনার যুদ্ধক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, আলোচনা ঠিকমতো এগোলে চলতি অর্থবর্ষেই এমআরএফএ চুক্তি স্বাক্ষর করা সম্ভব। তবে এটি ভারত ও ফ্রান্স—দুই পক্ষের আলোচনার বিষয় বলেও জানান তিনি। যদিও তেজস মার্ক-১এ সরবরাহে বিলম্ব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বায়ুসেনা প্রধান। তাঁর কথায়, সরবরাহে অতিরিক্ত দেরি হচ্ছে। আরও দেরি হলে বায়ুসেনার জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। বর্তমানে বায়ুসেনায় ৩০টি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন রয়েছে। অথচ অনুমোদিত সংখ্যা ৪২। এই ঘাটতি পূরণ করে ধীরে ধীরে ৪২টি স্কোয়াড্রনের লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রতি বছর দু’টি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি। অর্থাৎ বছরে ৩৬ থেকে ৪০টি যুদ্ধবিমান তৈরি করে বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ