সংবাদদাতা, বর্ধমান: বর্ধমান শহরের তেজগঞ্জ এলাকায় জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনায় দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের নাম কার্তিক মণ্ডল(৪২) ও মৃন্ময় মালাকার(৩৮)। তাদের বাড়ি যথাক্রমে মিরছোবা নতুন কলোনি এবং নীলপুর পীরতলার আমবাগান এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে দুই বন্ধু বাইক নিয়ে জাতীয় সড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। তেজগঞ্জের কাছে একটি গাড়ি তাঁদের বাইকটিকে ধাক্কা মেরে পালায়। পুলিশ কার্তিককে গুরুতর জখম অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃন্ময়কে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে অনাময় সুপার স্পেশালিটি উইং হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাতে তিনি মারা যান।
বর্ধমানে ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে মহিলার মৃত্যু: বর্ধমান শহরের কাঁটাপুকুর এলাকায় ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে এক গৃহবধূ আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম সুইটি ভকত(৩৫)। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির ছাদ থেকে তিনি ঝাঁপ দেন। পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ভরতির ঘণ্টাখানেক পর তিনি মারা যান। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি মানসিক রোগী ছিলেন। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে তিনি ছাদ থেকে ঝাঁপ দেন।
আউশগ্রামে আগুনে পুড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু: আউশগ্রাম থানার অমরারগড়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে এক বৃদ্ধা আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম বাণী রায়(৬৮)। সোমবার দুপুরে বাড়িতে তিনি গায়ে আগুন লাগিয়ে নেন। তাঁকে জামতাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। মঙ্গলবার ভোরে তিনি মারা যান। পরিবারের দাবি, তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন।
ভাতারে কীটনাশক খেয়ে মৃত্যু: ভাতার থানার সোতখালি গ্রামে কীটনাশক খেয়ে এক বৃদ্ধ আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতের নাম ধেনা মুর্মু৬১)। দিনকয়েক আগে বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। তাঁর আত্মহত্যার কারণ নিয়ে পরিষ্কারভাবে কিছু জানাতে পারেননি পরিবারের লোকজন।
ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু: ঝাড়খণ্ডের মোকামা স্টেশনে ট্রেনে ওঠার সময় পড়ে গিয়ে এক হকারের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম অরবিন্দকুমার মণ্ডল(৫১)। তাঁর বাড়ি পশ্চিম বর্ধমানের কুলটি থানার সুকান্তপল্লিতে। তিনি ট্রেনে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে মোকামা স্টেশনে চলন্ত ট্রেনে ওঠার সময় তিনি পড়ে যান। তাতে তিনি গুরুতর জখম হন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে আসানসোল হাসপাতালে ভরতি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে তিনি মারা যান।