Bartaman Logo
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় খাদ্য সুরক্ষা অভিযানের জের, ১ সপ্তাহে লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমা পড়ল এক হাজার আরজি

এক সপ্তাহের খাদ্য সুরক্ষা অভিযানে থরহরি কম্প অবস্থা খাদ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে

দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় খাদ্য সুরক্ষা অভিযানের জের, ১ সপ্তাহে লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশনের  জন্য জমা পড়ল এক হাজার আরজি
  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এক সপ্তাহের খাদ্য সুরক্ষা অভিযানে থরহরি কম্প অবস্থা খাদ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে। লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট না থাকলে পরিণতির কথা ভেবে নড়েচড়ে বসেছেন বহু ব্যবসায়ী। এই এক সপ্তাহে অভিযান চলাকালীন দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলার খাদ্য সুরক্ষা বিভাগে প্রায় ১০০০ দোকানদার লাইসেন্স অথবা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছেন বলে খবর। স্বভাবতই অভিযোগ উঠেছে, এতদিন তাঁরা এসব ছাড়াই রমরমিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। বারবার খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের তরফে এনিয়ে সচেতন করা হলেও কেউ যে কর্ণপাত করেননি, তাও স্পষ্ট হয়েছে। এখন ঠেলায় পড়ে আবেদনের হিড়িক পড়ে গিয়েছে।

Advertisement

এই স্বাস্থ্য জেলায় সপ্তাহব্যাপি অভিযানে সব থেকে বেশি ফেলে দেওয়া খাদ্যের তালিকায় রয়েছে বিরিয়ানি (৭৫ কেজি)। তারপর রয়েছে রসগোল্লা (৪৭ কেজি)। এছাড়াও অন্যান্য সামগ্রী আছে। ১১টি দোকান সিল করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি মিষ্টির দোকানের মালিককে মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। দোকানের লাইসেন্স নেই, পাওয়া গিয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ মিষ্টি। এই দোকানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এদিন। পরিকাঠামো ঠিক করে লাইসেন্স নিয়ে তবেই বিক্রি শুরু করতে পারবেন সেই ব্যবসায়ী।
আরও জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময় এই লাইসেন্স অথবা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বিশেষ ক্যাম্প করে থাকে খাদ্য সুরক্ষা বিভাগ। কিন্তু সেখানে হাতেগোনা কিছু ব্যবসায়ী এসে আবেদন করেন। 
কিন্তু এবার সরকারের কড়া মনোভাবে বিপাকে পড়েছেন অসংখ্য রেস্তরাঁ, মিষ্টি ও ছোটো-মাঝারি খাবারের দোকানের মালিক। এই এক সপ্তাহে দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় সাড়ে তিনশোর বেশি দোকানে অভিযান চালিয়েছিলেন খাদ্য সুরক্ষার অফিসাররা। অবাক করা বিষয় হল, এর মধ্যে শতাধিক দোকানের কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। প্রায় ২৫০ দোকানকে চিঠি ধরানো হয়েছে। তাদের এবার শুনানি হবে। এক আধিকারিক বলেন, ‘একের পর এক দোকানে তালা ঝুলিয়ে সিল করা হচ্ছে—এই খবর চাউর হয় সর্বত্র। আগামী দিনে যাতে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়, তার জন্যই লাইসেন্স নেওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছেন ব্যবসায়ীরা।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ