Bartaman Logo
৯ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দিল্লিযাত্রার আগে বাংলার ১০ ককরোচের খোঁজ নেই! রাজ্য পুলিশকে দুষছে সিজেপি, রবিবার শহরে মিছিল সমস্ত বাম ছাত্র সংগঠনের

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সদস্যদের পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে! এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করছেন তাদের রাজ্য নেতৃত্ব।

দিল্লিযাত্রার আগে বাংলার ১০ ককরোচের  খোঁজ নেই! রাজ্য পুলিশকে দুষছে সিজেপি, রবিবার শহরে মিছিল সমস্ত বাম ছাত্র সংগঠনের
  • ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সদস্যদের পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে! এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করছেন তাদের রাজ্য নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার টাউন হলের সামনে ককরোচদের তরফে এক সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে আগামী ১০ তারিখ দিল্লির যন্তরমন্তরে জমায়েতের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। সিজেপির কো-কনভেনর আশুতোষ রাঙ্কা এক্স হ্যান্ডেলে অভিযোগ করেন, সাদা পোশাকের পুলিশ তাঁদের সমর্থকদের তুলে নিয়ে গিয়েছে।

Advertisement

ককরোচ পার্টির পূর্ব জোনের কনভেনর প্রকৃতি সাউ বলেন, ‘এদিন সকালে আব্দুল হাফিজসহ ১০ জনকে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুলিশ কার্যত অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত আমরা জানতে পারিনি, ওঁদেরকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অনেকের বাড়িতে গিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। ওঁদের ১০ তারিখ দিল্লির আন্দোলনে যোগ দেওয়া কথা ছিল।’ 
নেতৃত্বের আরও অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে নিউটাউন থেকে আব্দুলসহ তিনজনকে পুলিশ নিয়ে যায়। এরপর হাওড়া ও বাঁকুড়া থেকে তাঁদের আরও কর্মী-সমর্থকদের পুলিশ নিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও বিধাননগর কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, ‘হোটেলে সন্দেহজনক কার্যকলাপের অভিযোগ এসেছিল। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আব্দুল হাফিজকে ইকোপার্ক থানায় ডেকে পাঠানো হয়। কিছুক্ষণ পরই পিআর বন্ডে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
অন্যদিকে, আগামী ১১ তারিখ অর্থাত্ রবিবার শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত সমস্ত বামছাত্র সংগঠন জ্ঞানেশের অপসারণের দাবিতে মিছিলের ডাক দিয়েছে। এই মিছিলে সিজেপি যোগ দিচ্ছে কি না তা এখনো ঠিক হয়নি। সিজেপির নেতৃত্বর কথায়, এই মুহূর্তে আমরা দিল্লির আন্দোলনকে পাখির চোখ করছি। কলকাতার মিছিলের যোগ দেওয়া হবে কি না তা আগামী দিনে ঠিক করা হবে। 
এদিকে, দিল্লিতে রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে প্রমুখ সাংসদের উপর আক্রমণের প্রতিবাদে কালা দিবস পালন করে প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘নির্বাচনকে যে বা যারা সুষ্ঠু স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রাখতে দেননি তাঁদের আর পদে থাকার অধিকার নেই। গোটা দেশের যে পরিস্থিতি যাচ্ছে তাতে আগামী দিনে ভারতে শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ