


নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা মালদহ: সবে ফাল্গুন মাসের ৯ তারিখ। কিন্তু গৌড়বঙ্গে বসন্তেই গ্রীষ্মের ইঙ্গিত দিচ্ছে আবহাওয়া। সারা দিনে মৃদু ঠাণ্ডার আমেজ কখনও অনুভূত হলেও অনেকে হাল্কা গতিতে ফ্যান চালিয়ে শরীর ঠাণ্ডা করে নিচ্ছেন দুপুরে। মালদহের তাপমাত্রা ইতিমধ্যে প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁইছুঁই। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশ খানিকটা বেশি তাপমাত্রা ইঙ্গিত দিচ্ছে গরম গলদঘর্ম করে ছাড়তে পারে প্রবল অস্বস্তি বাড়িয়ে। ইতিমধ্যে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হলেও তার ফলে গৌড়বঙ্গের আকাশ আগামী দু’দিন কিছুটা মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ বলেই জানা গিয়েছে।
মালদহের আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিক তপনকুমার দাস বলেন, জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। রবিবার মালদহের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ এবং সর্বনিম্ন ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি বলে জানিয়েছেন তপনবাবু। তিনি বলেন, দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। পশ্চিম অসমের উপরেও একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। এর প্রভাবে আন্দামান এবং কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি এবং উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে কিছুটা বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হলেও গৌড়বঙ্গে তেমন কিছু নেই। তবে, আকাশ কিছুটা হলেও মেঘলা থাকতে পারে।
তপনবাবু জানান, ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হতে না হতেই তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছলেই বেশ গরম অনুভূত হবে। মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে গরমের প্রভাব ভালো বোঝা যেতে পারে। অন্যদিকে, দিনে রোদ, রাতে ঠান্ডার আভাস। খামখেয়ালি এই আবহাওয়াই রায়গঞ্জ তথা উত্তর দিনাজপুর জেলাজুড়ে শীত বিদায়ের বার্তা দিচ্ছে। সিকিম আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আপাতত দিনে রোদের ঝলকানি, রাতে ঠান্ডার আভাস বজায় থাকবে কয়েক সপ্তাহ। চলতি সপ্তাহে এই আবহাওয়ার তেমন পরিবর্তন কিছু ঘটবে না। বৃষ্টিপাতেরও কোনও পূর্বাভাস নেই। রায়গঞ্জে গত কয়েকদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৬ কাছে ঘোরাফেরা করছে। সর্বোচ্চ ছিল ২৪ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। স্বাভাবিকভাবে দুপুরে ঘাম হচ্ছে রাস্তায় কাজকর্মে বেরনো মানুষজনদের। তবে, সন্ধের পর ঠান্ডা টের পাওয়া যাচ্ছে। তাই হালকা শীতবস্ত্র গায়ে দিতেই হচ্ছে।