জম্মু ও কাশ্মীরে আটকে পড়া পর্যটকদের ফেরাতে বিশেষ ট্রেন
  • ১০ মে, ২০২৫ ১৬:০৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এই অবস্থায় জম্মু-কাশ্মীরে কত পর্যটক আছেন, নির্দিষ্ট করে তার হিসেব চাইছে রেল বোর্ড। জম্মু, উধমপুর, পাঠানকোটের মতো এলাকা দিয়ে পর্যটক বা সাধারণ মানুষকে রেলপথে ফিরিয়ে আনা যায় কি না, সেই ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, উল্লিখিত স্থান থেকে একাধিক স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। সেইমতো শুক্রবারই জম্মু থেকে ১২টি সংরক্ষিত এবং ১২টি অসংরক্ষিত কোচের স্পেশাল ট্রেন চালিয়েছে নর্দার্ন রেল। পাশাপাশি, উধমপুর থেকে ২০ কোচের বন্দে ভারত স্পেশাল ট্রেনও চালানো হয়েছে। একইভাবে ২২ কোচের সংরক্ষিত একটি স্পেশাল ট্রেনকে এদিন রাতে জম্মু থেকে চালানো হয়েছে। অধিকাংশ স্পেশাল ট্রেনেরই গন্তব্য দিল্লি। 

Advertisement

আগামী কয়েকদিন এভাবেই স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল বোর্ড। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আবহে শুক্রবার নয়াদিল্লির রেলভবনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা। অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন না হলে রেলকর্মী এবং আধিকারিকদের কোনওরকম ছুটি নিতে বারণ করা হয়েছে। 
এসবের মধ্যেই রেলের আধিকারিকদের চিন্তা বাড়িয়েছে বৃহস্পতিবার রাতের একটি ঘটনা। পাঞ্জাবের কাছে হিমাচল প্রদেশগামী জনশতাব্দী এক্সপ্রেসের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে একটি ট্রলি ট্রাক্টরের। এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি ঠিকই। কিন্তু রেল যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এটা নিছকই দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পনা করে রেল লাইনে ট্রলি ট্রাক্টর নিয়ে আসা হয়েছিল, সেই প্রশ্ন দানা বাঁধছে রেল বিশেষজ্ঞ মহলে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রেলমন্ত্রক। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ‘প্রাথমিকভাবে একে দুর্ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে কোনও সম্ভাবনাই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।’ যেভাবে ওই জনশতাব্দী ট্রেনের কামরায় কাচ ভেঙে পড়ার ছবি সামনে এসেছে, তা আতঙ্ক বাড়িয়েছে।