


নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: আচমকা খারাপ আবহাওয়ার কারণে মাঝপথে বন্ধ হয়ে গেল উদ্ধার অভিযান। ফলে উত্তর সিকিমের ছাতেনে এখনও আটকে ৬৩ জন পর্যটক। বৃষ্টি খানিকটা কমায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কপ্টারের সাহায্যে পর্যটকদের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। পাকিয়ং বিমানবন্দর থেকে দু’টি কপ্টার ওড়ে। এদিন ছাতেন থেকে দু’দফায় মোট ৬৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে দু’জন মার্কিন পর্যটককেও উদ্ধার করা হয়েছে। রয়েছেন এরাজ্যেরও কিছু পর্যটক। তাঁদের গ্যাংটকে ফেরাতে পাকিয়ং বিমানবন্দরে রাখা ছিল সিকিম ন্যাশনালাইজড ট্রান্সপোর্টের (এসএনটি) বাস। পর্যটকদের যাঁরা বাগডোগরা ফিরতে চান, তাঁদের জন্য একটি কপ্টার রাখা ছিল পাকিয়ংয়ে। এদিন পাকিয়ং থেকে বাগডোগরা কপ্টারে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ২২ জনকে।
মঙ্গনের ডিস্ট্রিক্ট প্রোজেক্ট অফিসার (ডিপিও) কর্ম দর্জি বলেন, এদিন ছাতেন থেকে ৬৩ জন পর্যটককে এয়ারলিফ্ট করা হয়েছে। সকাল থেকে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। কিন্তু দুপুরে আবহাওয়া আচমকা খারাপ হয়ে যাওয়ায় কপ্টার উড়তে পারেনি। সেকারণে বাধ্য হয়ে উদ্ধারকার্য বন্ধ করে দিতে হয়। ছাতেনে এখনও কিছু পর্যটক রয়েছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে শুক্রবার সকাল থেকে ফের উদ্ধারকার্য শুরু করা হবে।মঙ্গনের পুলিস সুপার সোনম ডেচু ভুটিয়া জানিয়েছেন, এখনও মঙ্গনে ৬৩ জন পর্যটক আটকে রয়েছেন বলে আমাদের কাছে খবর।
ধস বিধ্বস্ত লাচেন থেকে ছাতেন পর্যন্ত ৩ কিমি হাঁটাপথ তৈরি করেছে সেনা ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ওই পথ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে লাচেনে আটকে পড়া পর্যটকরা ছাতেনে এসে পৌঁছন। তারপর সেখান থেকে এদিন প্রথম দফায় ২৭ জন এবং দ্বিতীয় দফায় ৩৬ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিরা ছাতেনের হোটেল ও সেনা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে, এদিন বিকেলে লাচেনে নতুন করে ধস নামার খবর মিলেছে। -নিজস্ব চিত্র