


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রতি ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে যে শুল্ক চুক্তি হয়েছে ভারতের, তা নিয়ে আশাবাদী বণিকমহল। পাশাপাশি আমেরিকাও শুল্কের বোঝা ৫০ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ নামিয়ে এনেছে। তবে এই ধরনের চুক্তি যে সবসময় ভারতের পক্ষে সুবিধাজনক পরিস্থিতি তৈরি করে, তা নয়। এমনই ইঙ্গিত দিলেন আইআইএম কলকাতার অর্থনীতির প্রফেসর পার্থপ্রতিম পাল। মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বড় ধরনের বাণিজ্যিক চুক্তি যেমন ভারতের পক্ষে সুবিধার, তেমন চ্যালেঞ্জেরও। শুল্ক-সুবিধা দেশের রপ্তানি বাড়ায়। তবে শুল্ক ছাড়াও এমন কিছু প্রশাসনিক জটিলতা এক্ষেত্রে তৈরি হয়, যা ব্যবসায় সমস্যা তৈরি করে।’ প্রসঙ্গত, শুল্ক ছাড়া অন্যান্য সমস্যার মধ্যে আছে লাইসেন্সিং ব্যবস্থা, কোটা, পণ্যের গুণমান, নিজেদের দেশের পণ্যের বাজার যাতে না কমে, সেই সংক্রান্ত প্রশাসনিক নীতি প্রভৃতি। পার্থপ্রতিমবাবুর কথায়, ‘ভারতকে রপ্তানিতে এগিয়ে যেতে হলে প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকার মতো পণ্য তৈরি করতে হবে। তার গুণমান বজায় রাখতে হবে এবং সুষ্ঠু জোগান জারি রাখতে হবে। গোটা বিশ্বে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে ভারত কীভাবে এঁটে উঠবে, তার উপরই নির্ভর করবে ভারতের রপ্তানির বাজার।’