নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এবার কি জম্মুগামী যাত্রী বোঝাই ট্রেনকেই বেলাইন করার ছক জঙ্গিদের? মঙ্গলবার ভোর রাতে হরিদ্বার-জম্মু রুটের শ্রীহেমকুন্ত এক্সপ্রেসের লাইনে লোহার রড এবং বড়সড় পাথর রেখে তা বেলাইন করার চেষ্টা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এবার কি জম্মুগামী যাত্রী বোঝাই ট্রেনকেই বেলাইন করার ছক জঙ্গিদের? মঙ্গলবার ভোর রাতে হরিদ্বার-জম্মু রুটের শ্রীহেমকুন্ত এক্সপ্রেসের লাইনে লোহার রড এবং বড়সড় পাথর রেখে তা বেলাইন করার চেষ্টা হয়েছে।
চেন্নাইয়ের পর জলন্ধর। দু’টিতেই ট্রেনে নাশকতার ষড়যন্ত্র করেছে দুষ্কৃতীরা। চেন্নাইয়ের ঘটনায় রেল লাইন থেকে খুলে রাখা হয়েছিল একাধিক নাট-বল্টু। আর মঙ্গলবার ভোর রাতে জলন্ধরের ঘটনায় লাইনে রেখে দেওয়া হয়েছে লোহার রড এবং বড় পাথরের টুকরো। পরপর দু’বার নাশকতার চক্রান্ত হল। দায়িত্বপ্রাপ্ত রেল কর্মীদের তৎপরতায় আবারও বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে।
রেলমন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে জানানো হয়েছে যে, তড়িঘড়ি এই ব্যাপারে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেল বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, বারবার যাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করায় স্বাভাবিকভাবেই এর ফলে প্রবল অস্বস্তিতে পড়তে চলেছে মোদি সরকার। মঙ্গলবার ভোর রাতের ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাবের জলন্ধরে। যেভাবে রেল লাইনে পাথরের টুকরো এবং লোহার রড ফেলে রাখা হয়েছিল, তাতে ট্র্যাক পরিবর্তন সংক্রান্ত সিগন্যাল দিতে অবধারিতভাবে সমস্যা হতো। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, কোনও বাছবিছার না করে সার্বিকভাবে নাশকতার চেষ্টা হয়েছে জলন্ধরের রেললাইনে। কিন্তু পরে রেল এবং পুলিসের যৌথ তদন্তে উঠে এসেছে, ওইসময় সংশ্লিষ্ট লাইন দিয়ে শুধুমাত্র জম্মুগামী শ্রীহেমকুন্ত এক্সপ্রেসেরই যাওয়ার কথা ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই টনক নড়ে তদন্তকারীদের। জল্পনা তৈরি হয়, তাহলে কি নির্দিষ্ট করে জম্মুগামী ট্রেনকেই বেলাইন করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল? তদন্তকারী আধিকারিকদের ভাবাচ্ছে একটি প্রশ্ন। দু’টি ঘটনাতেই ট্র্যাক পরিবর্তন সংক্রান্ত সমস্যা তৈরির চেষ্টা হয়েছে নাশকতার মাধ্যমে। তদন্তকারী আধিকারিকরা নিশ্চিত, এহেন প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা না থাকলে এই কাজ একপ্রকার অসম্ভব।