


নয়াদিল্লি (পিটিআই): বিগত অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৬ শতাংশ। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ সহ বিভিন্ন বাহ্যিক প্রভাবে চলতি অর্থবর্ষে তা কিছুটা কমলেও ভারতের বৃদ্ধি ‘শক্তপোক্ত’ই থাকবে। জিডিপি বৃদ্ধির হার হবে ৬.৯ শতাংশ। তবে আগামী অর্থবর্ষে ফের তা বেড়ে হবে ৭.৩ শতাংশ। নেপথ্যে ঘরোয়া চাহিদা বৃদ্ধি, বাহ্যিক প্রভাব শিথিল ও ভারতীয় পণ্যে মার্কিন শুল্কের পরিমাণ হ্রাস। শুক্রবার এমনটাই পূর্বাভাস জারি করল এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এর আগে রিজার্ভ ব্যাংক ৬.৬ শতাংশ, বিশ্বব্যাংক ৬.১ শতাংশ এবং ওইসিডি ৬ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস করেছিল। সেই তুলনায় এবিডি-র ৬.৯ শতাংশের পূর্বাভাস ভারতের জন্য নিশ্চিতভাবেই ইতিবাচক ইঙ্গিত।
২০২৬ সালের এপ্রিলে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক রিপোর্টে বলা হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ভারতের অর্থনীতিতে বিভিন্নভাবে তার প্রভাব পড়তে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, বাণিজ্যিক প্রবাহে বিঘ্ন, বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস ইত্যাদি। মুদ্রাস্ফীতির হার গত বছরের তুলনায় (২.১ শতাংশ) দ্বিগুণ বেড়ে হতে পারে ৪.৫ শতাংশ। এর কারণ হতে পারে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামবৃদ্ধি, দুর্বল টাকা ও দামি ধাতুগুলি আরও মহার্ঘ হয়ে পড়া। তবে আগামী অর্থবর্ষে (২০২৭-২৮) মুদ্রাস্ফীতির হার কিছুটা কমে ৪ শতাংশের আশেপাশে দাঁড়াতে পারে। কারণ আন্তর্জাতিক প্রভাবগুলি শিথিল হওয়ায় আগামী বছর তেল খাদ্যপণ্যের দাম ফের নিম্নমুখী হতে পারে।