Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তারাপীঠে ব্যাপক পর্যটক সমাগম

এমনিতেই উইকেন্ডে তারাপীঠে পর্যটকদের ঢল নামে। তার উপর ২৩ থেকে ২৬জানুয়ারি টানা চারদিন ছুটি মিলে যাওয়ায় রাজ্য ছাড়িয়ে ভিনরাজ্যের হাজার হাজার ভ্রমণপিপাসু মানুষজন এখন বামাক্ষ্যাপার সাধনাস্থলে ভিড় জমিয়েছেন।

তারাপীঠে ব্যাপক পর্যটক সমাগম
  • ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: এমনিতেই উইকেন্ডে তারাপীঠে পর্যটকদের ঢল নামে। তার উপর ২৩ থেকে ২৬জানুয়ারি টানা চারদিন ছুটি মিলে যাওয়ায় রাজ্য ছাড়িয়ে ভিনরাজ্যের হাজার হাজার ভ্রমণপিপাসু মানুষজন এখন বামাক্ষ্যাপার সাধনাস্থলে ভিড় জমিয়েছেন। আগেভাগেই অধিকাংশ হোটেল বুকিং হয়েছে। তাই হোটেল মালিকদের মুখে চওড়া হাসি। তারাপীঠ হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুনীল গিরি বলেন, টানা কয়েকদিনের ছুটি থাকায় অনেকেই বেড়াতে এসেছেন। মায়ের কাছে পুজো দিয়ে ফিরছেন।  ছুটি মানেই বাড়িতে মন টেকে না ভ্রমণ পিপাসুদের। তারপর টানা ছুটি মিলে যাওয়ায় তা কার্যত ‘সোনায় সোহাগা’। কোথাও না কোথাও বেড়াতে যাওয়া চাই-ই। গত শুক্রবার নেতাজির জন্মদিন ছিল। আবার একই দিনে সরস্বতী পুজোর ছুটি ছিল। মাঝে শনি ও রবিবার হওয়ায় টানা চারদিন ছুটি উপভোগ করতে অনেকেই তারাপীঠে বেড়াতে এসেছেন। তবে এবার সরস্বতী পুজোর পরেরদিন অনেক জায়গায় ঐতিহ্য মেনে সিজানো উৎসব থাকায় ইচ্ছে থাকলেও আসতে পারেননি। রবিবার ভোর থেকেই দেবী তারাকে পুজো দেওয়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ে যায় ভক্তদের। বেলা যত বেড়েছে ততই ভিড় বেড়েছে। আজ সোমবার সেই ভিড় কয়েকগুণ বাড়বে বলে আশা মন্দির কমিটির। অনেকে সকাল সকাল পুজো দিয়ে বীরভূমের ধর্মীয় স্থানগুলি ঘুরতে বেরিয়ে পড়বেন। সতীর ৫১টি পীঠের মধ্যে বীরভূমেই রয়েছে পাঁচটি। ফলে অন্যান্য সতীপীঠেও এদিন পর্যটকদের ভিড় বাড়বে।

Advertisement

কলকাতা থেকে তারাপীঠে সপরিবারে এসেছেন দেবব্রত দাস। তিনি সরকারি কর্মচারী। তিনি বলেন, অনেকদিন থেকেই তারাপীঠ সহ এই জেলার তীর্থস্থান ঘুরে দেখার জন্য প্ল্যান করছিলাম। কিন্তু একদিনের ছুটিতে তো আর সেটা সম্ভব নয়। তাই শুক্রবার দুপুরেই তারাপীঠে এসেছি। এখান থেকে বীরচন্দ্রপুর, নলাটেশ্বরী, ফুল্লরা, নন্দীকেশরী, বক্রেশ্বর সহ বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্র ঘুরে দেখেছি। সোমবার দেবী তারাকে পুজো দিয়ে কলকাতা ফেরার ট্রেন ধরব। চুঁচুড়া থেকে আসা সুভাষ দাস ও লক্ষ্মীপ্রিয়া আয়ন বলেন, মায়ের কাছে পুজো দিলাম। নিজেদের গাড়িতে ফিরে যাব। আগের চেয়ে মন্দির চত্বর কিছুটা সাজানো হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ