বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: গত ২২ সেপ্টেম্বর নয়া জিএসটি কাঠামো ও হার সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কেন্দ্র। সেখানে জীবনবিমা এবং স্বাস্থ্যবিমার ক্ষেত্রে জিএসটির হার ১৮ থেকে শূন্যে নামিয়ে আনা হয়। সেই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল ব্যক্তিগত বিমা গ্রাহকদের জন্য। এদিকে দেশের কোটি কোটি মানুষ স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পান গ্রুপ ইনশিয়োরেন্স পলিসির মাধ্যমেও। অর্থাৎ, একটি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অধীন ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আনলে তাকে গ্রুপ পলিসি বলা হয়। গ্রুপ পলিসির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাটি কখনও প্রিমিয়ামের টাকা মেটায়, কখনও তা বহন করতে হয় ওই বিমার আওতাভুক্ত ব্যক্তিদেরই। সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট এক অন্তর্বর্তী রায়ে স্বাস্থ্যবিমার ক্ষেত্রে গ্রুপ পলিসিতেও জিএসটি না-নেওয়ার করার কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলে লাভবান হতে চলেছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। সেই সুবিধার আওতায় থাকছেন ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ও অফিসাররাও। কারণ, তাঁরা অবসর নিলেও তাঁদের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পটির তত্ত্বাবধান করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। অর্থাৎ কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা গ্রুপ পলিসির মাধ্যমে দেয় ব্যাংকগুলি। এক্ষেত্রে প্রিমিয়ামের খরচও বহন করে তারা। কর্মী অবসর নিলে, সেই স্বাস্থ্যবিমা বা পলিসিটি চালু থাকে। কিন্তু প্রিমিয়ামের টাকা মেটাতে হয় অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের। সেই টাকা আর ব্যাংক মেটায় না। যেসব ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের কাছ থেকে স্বাস্থ্যবিমার জন্য জিএসটিসহ প্রিমিয়ামের টাকা জমা নিয়েছিল, তারা জিএসটি বাবদ ১৮ শতাংশ টাকা ফেরতের উদ্যোগ নিয়েছে। যে ব্যাংক এখনও স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম বাবদ টাকা জমা নেয়নি, তারা জিএসটি ছাড়াই ওই টাকা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মীরা।



