নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এসএসসির প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ ‘অমান্য’ নিয়ে আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে। হাইকোর্টে দায়ের হওয়া ওই মামলার গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে সওয়াল করতে চায় রাজ্য। অন্যদিকে, মামলার গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চে সোমবার আইনি ব্যাখ্যা দিলেন আবেদনকারীরা। এদিন মূল মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য কেরল হাইকোর্টের রায় এবং দিল্লি হাইকোর্টের একটি মামলার রেফারেন্স তুলে ধরে আদালতে বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অবমাননা হলেও হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলার শুনানি হয়েছিল।’ যদিও বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চের মতে, ‘যোগ্য শিক্ষকদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, তাদের আদেশ না-মানা হলে অন্য পদক্ষেপ করা হবে। তাহলে এই আদালত (হাইকোর্ট) সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার বিষয়টি নিয়ে কেন বিবেচনা করবে?’
মামলাকারীদের তরফে এদিন তারও আইনি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। কিন্তু নিজেদের বক্তব্য জানাতে এদিন কিছুটা সময় চেয়েছে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর, স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। তার প্রেক্ষিতে আগামী ১ মে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।
প্রসঙ্গত, এসএসসির প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কেন মানা হচ্ছে না, এই অভিযোগে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চে গত শুনানিতেই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা খারিজের দাবি করে রাজ্য। রাজ্যের তিন সংস্থার দাবি, ‘এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নেই। কারণ এই মামলার রায় সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছে। সেই কারণে বিষয়টিতে মামলা হলে মামলাকারীদের উচিত সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা।’



