নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিদেশ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সম্প্রতি বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রিকে প্রথম এই প্রশ্ন করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ দীপেন্দর হুডা। জবাব মেলেনি। উল্টে এ ধরনের প্রশ্ন করায় বিজেপির সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবে ভারতের যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার কথা সিডিএস অনিল চৌহান কার্যত স্বীকার করার পরেই সরব হল কংগ্রেস। সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কেউ কোনও প্রশ্ন তুলছে না। তুলবেও না। কিন্তু স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি যেভাবে অপারেশন সিন্দুরকে রাজনৈতিক প্রচারের বিষয় করে তুলেছেন তা মোটেই মেনে নেওয়া যায় না। বিহার হোক বা গুজরাত, মোদি যেখানেই যাচ্ছেন যেখানেই নির্বাচনী প্রচারের ঢঙে অপারেশন সিন্দুর নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছেন এবং নিজেই নিজের পিঠ চাপড়াচ্ছেন। গোটা দেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে। তাদের বাহবাও দিচ্ছে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি নিজের পিঠ চাপড়াচ্ছেন। সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকে যাবতীয় বিষয়টি স্পষ্ট করুন। কংগ্রেসের মুখ্য মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেছেন, বিদেশে ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংসের কথা বলার আগেই দেশে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উচিত ছিল সর্বদলীয় বৈঠকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া। বিষয়টি দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন। সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকে পহেলগাঁও, পাকিস্তানকে প্রত্যাঘাত ইস্যুতে বিস্তারিত জানানো উচিত সরকারের। পাক অধিকৃত কাশ্মীর ইস্যুতে ফের প্রস্তাব পেশ হোক বলেই দাবি করেছেন কংগ্রেসের মুখ্য মুখপাত্র জয়রাম রমেশ। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক তথা রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ এম এ বেবিও কংগ্রেসের সুরে বলেছেন, সিঙ্গাপুরে সিডিএসের ইন্টারভিউয়ে বলা যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়াই নয়। পহেলগাঁও ইস্যুতে অনেক কিছুই এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে। এ ব্যাপারে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি আমরাও সমর্থন করছি।



