নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গোর্খাল্যান্ড প্রশ্নে এবার আরও মরিয়া হচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবারই দিল্লির নর্থ ব্লকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই এবং শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিজেপির প্রতিনিধিরা। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে সুস্পষ্ট দাবিও তাঁরা জানিয়ে এসেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে। ওই বৈঠকের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে আরও একটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দ্বারস্থ হল বঙ্গ বিজেপি। শুক্রবার দিল্লিতে আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি প্রতিনিধিরা।
এদিন কেন্দ্রীয় আদিবাসী বিষয়কমন্ত্রী জুয়েল ওরামের সঙ্গে বৈঠক করেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার দুই শীর্ষ নেতা বিমল গুরুং এবং রোশন গিরি। যদিও পরে দার্জিলিংয়ের সাংসদ দাবি করেছেন যে, দার্জিলিংয়ের ১১টি গোর্খা উপজাতিকে পুনরায় তফসিলি জাতির তালিকাভুক্ত করার আর্জি নিয়েই তাঁরা এদিন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে শুক্রবারই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও দেখা করেছেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ।
আগামী বছরই পশ্চিমবঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন। একদিকে গোর্খাল্যান্ড, অন্যদিকে হিন্দুত্বের জিগির তুলে রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। মোথাবাড়ি-কাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অতিথিশালা বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। পুলিসের গার্ডরেলের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা হয়। চলে তুমুল ধ্বস্তাধ্বস্তি। পুলিস বিক্ষোভকারীদের আটক করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যায়। মোথাবাড়ির ঘটনা নিয়ে বিকেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থও হয়েছে বিজেপি।