


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শারীরিক অসুস্থতায় প্রতি আর্থিক বছরে সর্বোচ্চ তিন বার। শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে পুরো সদস্য কালের মেয়াদে সর্বাধিক ১০ বার। গৃহ ঋণ কিংবা জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট কেনা অথবা তৈরি, সংস্কারের জন্য পুরো সদস্য কালের মেয়াদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বার। কোনও কারণ না দর্শিয়ে বিশেষ প্রয়োজনে প্রতি আর্থিক বছরে সর্বোচ্চ দু’বার। ইপিএফের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার জন্য এবার সদস্যদের মেয়াদও বেঁধে দিচ্ছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। গত ১৩ অক্টোবর ইপিএফও অছি পরিষদের ২৩৮ তম বৈঠকে ইপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার নিয়মে অনেক সরলীকরণ করা হয়েছে। ইতিপূর্বে টাকা তোলার বিভিন্ন ক্যাটিগরির পরিবর্তে মাত্র তিনটি বিকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজন, ঘরবাড়ি সংক্রান্ত প্রয়োজন এবং বিশেষ প্রয়োজন। বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কোনওরকম কারণ না দর্শিয়েই টাকা তোলা যাবে। সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনের তালিকায় অসুস্থতা, শিক্ষা এবং বিয়ের মতো বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই গ্রাহক এবং তাঁর পরিবারের জন্যই এহেন পরিষেবার ঘোষণা করেছে ইপিএফও। শর্ত একটাই। তা হল, ইপিএফ অ্যাকাউন্টে সঞ্চিত অর্থের ২৫ শতাংশ জমা রাখতেই হবে গ্রাহককে। বাকি ৭৫ শতাংশের পুরোটাই ১২ মাসের কর্মজীবন সম্পূর্ণ হলে প্রয়োজনভিত্তিতে তুলে নিতে পারবেন একজন ইপিএফ গ্রাহক। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজন ভেদে মোট কতবার টাকা তোলা যাবে, সেই ব্যাপারেও নির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলতে হবে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের।