


নয়াদিল্লি: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উৎপাদন শিল্প থেকে কর্মক্ষেত্র—সব ক্ষেত্রেই এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জয়জয়কার। শিল্পক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার আরও বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই সুফল মিলবে। বাড়বে উৎপাদনের পরিমাণ। যার ফলে ২০৩৫ সালের মধ্যে এই সমস্ত শিল্পক্ষেত্রগুলি ভারতের জিডিপিতে ৫০০-৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যুক্ত করবে। সোমবার এক রিপোর্টে এমনটাই জানিয়েছে নীতি আয়োগ। ‘এআই ফর বিকশিত ভারত: দ্য অপরচুনিটি ফর অ্যাক্সিলারেটেড ইকোনমিক গ্রোথ’ রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, আগামী এক দশকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাত ধরে বিশ্ব অর্থনীতিতে ১৭-২৬ ট্রিলিয়ন ডলার যুক্ত হবে।
নীতি আয়োগ জানিয়েছে, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিত (স্টেম) ক্ষেত্রে ভারত খুবই শক্তিশালী। বৃদ্ধি পাচ্ছে গবেষণা ও উন্নয়নের পরিধি। প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনের সুবাদে বিশ্বের এআই মানচিত্রের ১০-১৫ শতাংশ থাকবে ভারতের হাতে। রিপোর্টে অনুসারে, এআইয়ের জন্য স্বল্প মেধার চাকরির সুযোগ কমলেও নতুন নতুন ক্ষেত্রে আরও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে। বদল আসবে ঋণ দেওয়া, বকেয়া আদায়ের মতো ক্ষেত্রেও। এআই ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাঙ্কগুলির হাতে আসবে বাড়তি তথ্য। যা থেকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও নিখুঁত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে তারা।
নীতি আয়োগের রিপোর্ট প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, এআইকে নিয়ন্ত্রণে রেখে কীভাবে উন্নয়নের লক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়, তা আমাদের শিখতে হবে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, এআই প্রযুক্তি গ্রহণই শুধু নয়, পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাতে এর উপযুক্ত প্রয়োগ হয়, তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার।