নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে সঙ্কটের মুখে বনভূমি। অন্তত ২৫টি রাজ্যে প্রায় ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চল জবরদখল হয়ে রয়েছে। যা দিল্লি, সিকিম ও গোয়ার সম্মিলিত ভৌগলিক এলাকার সমান। পরিবেশ মন্ত্রকে জমা দেওয়া রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির রিপোর্ট থেকে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। যদিও, এখনও ১০টি রাজ্য এই সংক্রান্ত তথ্য পরিবেশ মন্ত্রকে জমা দেয়নি। ফলে দখল হওয়া বনভূমির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
গতবছর সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের একটি প্রতিবেদনে সরকারি তথ্য তুলে ধরে দাবি করা হয়েছিল, দেশে অন্তত সাড়ে ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চলের জমি বেদখল হয়ে গিয়েছে। তারপরই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনাল (এনজিটি)। অবিলম্বে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে দখল হওয়া বনভূমির পরিমাণ একত্রিত করতে কেন্দ্রকে নির্দেশ দেয় এনজিটি। সেইমতো গত সপ্তাহে এনজিটিকে জমা দেওয়া রিপোর্টে পরিবেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে দেশজুড়ে ১৩,০৫৬ বর্গকিলোমিটার বনভূমি দখল হয়ে রয়েছে। যদিও এর মধ্যে বিহার, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ, নাগাল্যান্ড, দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখের তথ্য নেই। তবে মন্ত্রক তার রিপোর্টে জানিয়েছে, প্রায় ৪১০ বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চলকে ইতিমধ্যেই জবরদখল মুক্ত করা হয়েছে।
মূলত যে এলাকা বা অঞ্চলকে সরকারের তরফে বনভূমির তকমা দেওয়া হলে তাকে রেকর্ডেড ফরেস্ট এরিয়া (আরএফএ) হিসেবে গণ্য করা হয়। সেই এলাকায় গাছ আছে কি নেই, তা বিবেচ্য হয় না।