Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

মোদি-রাজ্যে ৬ মাস ধরে বন্ধ ১০০ দিনের কাজের মজুরি, ক্ষোভে ফুঁসছেন শ্রমিকরা

‘সমানে কাজ করে চলেছে সবাই। হাতে কিছু টাকা পেলে দিন গুজরান হয়। কিন্তু সরকার এবার ভাতে মারতে চাইছে। প্রায় ৬ মাস ধরে ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ রয়েছে। সংসার চলবে কীভাবে?

মোদি-রাজ্যে ৬ মাস ধরে বন্ধ ১০০ দিনের কাজের মজুরি, ক্ষোভে ফুঁসছেন শ্রমিকরা
  • ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

গান্ধীনগর: ‘সমানে কাজ করে চলেছে সবাই। হাতে কিছু টাকা পেলে দিন গুজরান হয়। কিন্তু সরকার এবার ভাতে মারতে চাইছে। প্রায় ৬ মাস ধরে ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ রয়েছে। সংসার চলবে কীভাবে? প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক। নইলে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভে চলবে।’ চোখে-মুখে রাগ স্পষ্ট। বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করে চলেছেন রাকেশ কুমার। বক্তা অল গুজরাত মনরেগা এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি। দীর্ঘদিন ধরে মজুরির টাকা না মেলায় মোদির রাজ্য গুজরাতের গ্রামাঞ্চলে এই প্রকল্পের জবকার্ড প্রাপকরা চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন। ফলে ওই শ্রমিকরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। অবিলম্বে বকেয়া মেটানো না হলে রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া দিয়েছে ইউনিয়নগুলি। 

Advertisement

প্রথম দিকে দেরিতে টাকা পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু পরে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তা এই প্রকল্পের কর্মীদের প্রবল সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এখন প্রায় ৬ মাস টাকার দেখা নেই। প্রথমে বিক্ষিপ্তভাবে অভিযোগ আসছিল। পরে তা সমগ্র গুজরাতের গ্রামাঞ্চল জুড়েই ছড়িয়ে পড়েছে। সৌরাষ্ট্রের গুনা ও গিরগাধার মতো একাধিক অঞ্চল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত। চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন হাজার হাজার কর্মী।  পেট চালাতে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। ইউনিয়ন সভাপতি রাকেশ কুমারের কথায়, এটা কোনো সামান্য ভুল নয়। প্রশাসনের চরম গাফিলতিকে সামনে এনেছে। অবিলম্বে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। নইলে গোটা রাজ্যজুড়ে পথে নামবে খেটে খাওয়া আমজনতা। আমাদের কাছে আর কোনো পথ নেই। 
১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে বাংলা সহ একাধিক বিরোধী শাসিত রাজ্যকে বকেয়া অর্থ দিচ্ছে না কেন্দ্র। বাংলাকে প্রকল্পের বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দিতে আদালতের নির্দেশের পরও হেলদোল নেই মোদি সরকারের। এরইমধ্যে প্রকল্পের নাম ও কাঠামোও বদলে ফেলেছে মোদি সরকার। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় রোজগার গ্যারান্টির বদলে এখন নাম হয়েছে ভিবি জি রাম রোজগার গ্যারান্টি। এবার খোদ মোদির রাজ্যে এমন দুর্দশার চিত্র সামনে আসায় ১০০ দিনের কাজের ভবিষ্যৎ নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ