



ধর্মেন্দ্র জন্মগ্রহন করেন ৮ ডিসেম্বর ১৯৩৫, পাঞ্জাব-এর নসরালি গ্রামে । পুরো নাম ধর্মেন্দ্র কেওয়াল কৃষ্ণ দেওল।

বাবা ছিলেন স্কুল শিক্ষক, খুব সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন তিনি। চার ভাই-বোনের মধ্যে ধর্মেন্দ্র ছিলেন বড়। ছোটবেলা পড়াশুনার মাধ্যমে কাটে ওনার।

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সময় ধর্মেন্দ্র শুধুই একটাই কথা ভাবতেন, বড়পর্দায় নিজেকে দেখবেন। ওটাই
তাঁর স্বপ্ন, ধ্যান ও জ্ঞান।

সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ সিনেমার মাধ্যমে ডেব্যু। যদিও ধর্মেন্দ্রকে লোকে চিনতে শুরু করেন ১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘শোলা অউর শবনম’-এর মাধ্যমে।

তারপরে ‘বন্দিনি (১৯৬৩)’, ‘অনুপমা (১৯৬৬)’, ‘ফুল অউর পাথ্থর (১৯৬৬)’, ‘সত্যকাম(১৯৬৯)’, ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’, ‘ড্রিম গার্ল (১৯৭৫)’, ‘চুপকে চুপকে (১৯৭৫)’-এর মতো বেশ কিছু সিনেমা।

তাঁর জনপ্রিয় ৫টি সিনেমা আলাদা করা খুবই কঠিন, তাবু নিচের ৫টি তাঁর না বললেই নয় -
আর তার প্রথমেই বলতে হয় শোলে (১৯৭৫)
বলিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে আইকনিক সিনেমা। তাঁর অমর চরিত্র-বীরু
এই ছবির জন্যই ধর্মেন্দ্র অমর হয়ে আছেন মানুষের মনে।
এছারাও,
‘ফুল অউর পাথ্থর (১৯৬৬)’
প্রথম অ্যাকশন হিরো ইমেজ, ধর্মেন্দ্রকে ‘হি-ম্যান’ হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করে।
‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’(১৯৭১)
খলনায়কের সঙ্গে সংগ্রাম। তার বিরুদ্ধে লড়াই ও গ্রাম রক্ষার গল্প।
সীতা অউর গীতা (১৯৭২)
হাসি + রোম্যান্সে ভরপুর এই সিনেমায় বহুমুখী প্রতিভা ফুটে ওঠে ধর্মেন্দ্র’র।
চুপকে চুপকে (১৯৭৫)
ক্লাসিক কমেডি— ধর্মেন্দ্র যে কমেডিতেও মাস্টার, এই ছবিতে তা স্পষ্ট ধরা পড়ে।