দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
এপ্রসঙ্গে স্কুল পরিদর্শক বলেন, শ্রেণিকক্ষে কিছু ছেলেমেয়ে পিছিয়ে পড়ে। পঠন-পাঠন, লেখালেখিতেও দুর্বল হয়। এই কর্মশালায় সেই সমস্ত পড়ুয়াদের কীভাবে প্রথম সারিতে তুলে আনা হবে তা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। চক্রের ১০০টি স্কুলের ১৫০জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে এদিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মূলত স্বাচ্ছন্দে পড়তে ও লিখতে পারার দক্ষতা বৃদ্ধিতে অধিক জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে ক্লাসের সব শিশুই পড়তে ও লিখতে পারে। ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের কতটা উন্নতি হল তা একপক্ষ কাল অন্তর চক্রের বিশেষ প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করবে। পঠন-পাঠনের মান খতিয়ে দেখে সেই স্কুলকে নম্বর দেবে প্রতিনিধি দলটি। স্কুলের একশো শতাংশ পড়তে ও লিখতে পারা স্কুলকে পুরস্কৃত করা হবে। এই কর্মশালায় মূলত বাংলা ও ইংরেজি বিষয়েই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তারসঙ্গে বইমুখী করতে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলি আলোচনা করা হবে। বাকি দু’টি দিনে চক্রের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
চক্রের গিরিয়ার-১ নম্বর ভৈরবটোলা প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক ও কর্মশালার প্রশিক্ষক অনন্যা ঘোষ বলেন, পঠন-পাঠনের পাশাপাশি শিশুর যে বিষয়ে আগ্রহ বা দক্ষতা রয়েছে সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, চক্রের স্কুল পরিদর্শক ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা ছাত্রছাত্রীদের নতুন কিছু দিতে সবসময় তৎপর। এলাকার শিক্ষা বিষয়ে যতটা সম্ভব আমি পাশে থাকব।-নিজস্ব চিত্র