দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
এগরা মহকুমা বইমেলা কমিটির সম্পাদক গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র ও কার্যকরী সভাপতি বীরকুমার শী বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার বাড়বাড়ন্তের যুগে বই পড়ার অনেকটাই চল কমে গিয়েছে। মানুষ এখন মোবাইলেই বেশি বুঁদ থাকেন। বই পড়ার আগ্রহ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই বইমেলার আয়োজন। সবার সহযোগিতায় বইমেলা সাফল্যমণ্ডিত হয়ে উঠছে।
গত রবিবার প্রদীপ জ্বালিয়ে ও ফিতে কেটে বইমেলার উদ্বোধন করেন মেদিনীপুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সহ অধ্যক্ষ স্বামী শশধরানন্দজি মহারাজ। তিনি বইমেলার স্মরণিকা উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এগরার বিধায়ক তরুণকুমার মাইতি, পটাশপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নমিতা বেরা, এগরা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শাহনাজ বেগম, লেখক অর্ধেন্দু দাশ, চিকিৎসক বাদলঅশ্রু ঘাটা সহ অনেকেই। শুরুতে স্কুলের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কবি, বইপ্রেমী সহ মানুষজনের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এগরা শহর পরিক্রমা করে। ১৮টি নামী প্রকাশনা সংস্থা বইমেলায় যোগ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার মেলা প্রাঙ্গণে মহকুমার বিভিন্ন ব্লকের প্রতিযোগীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তাতে অনেকেই অংশ নেন। শুক্রবার রয়েছে ক্যুইজ প্রতিযোগতা সহ নানা অনুষ্ঠান। শনিবার শেষ দিনে রয়েছে গুণীজন সংবর্ধনা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী সভা। এর আগে বুধবার ‘সৃজনশীল সাহিত্য সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ৭০জন বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক যোগ দেন। সম্মেলনে এগরা প্রেস ক্লাবের মাসিক পত্রিকা ‘সমন্বয়’-এর বইমেলার সংখ্যা প্রকাশ হয়। এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচির আয়োজন ছিল।
আয়োজকরা জানান, বইমেলা উপলক্ষ্যে প্রতিদিনই সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা সভা, প্রতিযোগিতা। প্রতিদিনই বইমেলা প্রাঙ্গণে বইপ্রেমীদের ভিড় হচ্ছে।-নিজস্ব চিত্র