দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকমাসে পথ দুর্ঘটনায় বাঁকুড়ায় অনেকের মৃত্যু হয়েছে। বাঁকুড়ার পাশাপাশি আশপাশের জেলাতেও অনেকে দুর্ঘটনায় হতাহত হয়েছে। সমস্যা সমাধানে ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বলবৎ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্য পুলিসের এক আধিকারিক বুধবার জেলায় জেলায় সিট বেল্ট পরা সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা পাঠান। চারচাকা থেকে শুরু করে সব বড় যানবাহনেই চালক ও চালকের পাশের আসনে বসা যাত্রী, খালাসির সিট বেল্ট পরা বাধ্যতামূলক রয়েছে। কিন্তু, অনেকেই তা মানেন না। সেই বিষয়টিই এবার পুলিস কর্তারা নিশ্চিত করতে চাইছেন। বৃহস্পতিবার থেকেই পুলিস অভিযান শুরু করে দিয়েছে। ১৫ মার্চ পর্যন্ত ওই অভিযান চলবে।
পুলিস জানিয়েছে, ট্রাফিক আইন ভাঙার জন্য জরিমানার অঙ্ক অপরাধ ভেদে আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। সিট বেল্ট না পরার জন্য এক হাজার টাকা, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করলে ৫০০ টাকা, লাল আলো থাকা সত্ত্বেও যানবাহন চালালে পাঁচ হাজার টাকা, মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালালে দু’হাজার টাকা, একই বাইকে তিনজনে সওয়ার হওয়া বা বিনা হেলমেটে বাইক চালালে ৫০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এজেলায় পাঁচটি ট্রাফিক জোন রয়েছে।
বাঁকুড়া, বড়জোড়া, বেলিয়াতোড়, বিষ্ণুপুর ও জয়পুর-কোতুলপুর ট্রাফিক থানা ও ফাঁড়ি জেলার রাজ্য ও জাতীয় সড়কগুলিতে নজরদারি চালিয়ে থাকে। বিভিন্ন জায়গায় থাকা ট্রাফিক ও সিগন্যাল পোস্টে পুলিস কর্মী-আধিকারিকরা ডিউটি করেন।
এর পাশাপাশি থানাগুলিও ট্রাফিক আইন বলবৎ করে থাকে। জেলার ট্রাফিক থানাগুলি গড়ে দৈনিক ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা আদায় করে থাকে। পাশাপাশি থানাগুলিও জায়গায় জায়গায় চেকিং করে জরিমানা আদায় করে। গত মাসে জেলা পুলিস সবমিলিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছিল। যা সর্বকালীন রেকর্ড বলে জেলা পুলিসের কর্তারা জানিয়েছেন। ট্রাফিক পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, রাজ্যের নির্দেশ আসার পর জেলা পুলিসের কর্তারা আমাদের সিট বেল্ট নিয়ে ময়দানে নামার নির্দেশ দেন। এদিন থেকেই আমরা অভিযান শুরু করেছি। সতর্ক করার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা হচ্ছে। -নিজস্ব চিত্র