দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
ময়নাগুড়ি জল্পেশ মেলায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এসে স্টল দিয়েছেন। প্রায় ১৫০০ স্টল রয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ভক্তদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে, বুধবার রাতে জল্পেশ মন্দিরে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার শুরু হয়ে যায়। আর এর ফলে একসময় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, পুলিস রাতে মন্দির বন্ধ করতে চেয়েছিল। এমন বিভ্রান্তিমূলক ভুল তথ্য যারা ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত।
এসপি জানিয়েছেন, শিবরাত্রির পবিত্র তিথিতে বুধবার সকাল থেকে হাজার হাজার ভক্ত জল্পেশ মন্দিরে সমবেত হন। মন্দিরে কোনও সমস্যা হয়নি। তবে বিভ্রান্তিমূলক অবাস্তব কিছু প্রচার হয়েছে। যেটা সম্পূর্ণ ভুল। বুধবার রাতে খুব শান্তিপূর্ণভাবেই শিবরাত্রির পুজো মন্দিরে হয়েছে। জল্পেশ মন্দির কমিটির সম্পাদক গীরেন্দ্রনাথ দেব বলেন, অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। অবিলম্বে এসব বন্ধ হওয়া উচিত। পুজো ভালোভাবেই হচ্ছে এবং আশা করছি, আগামী দিনগুলিতেও হবে। পুলিস যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। পুলিসের পদস্থ আধিকারিকরা দিনরাত থাকছেন। মেলা জমে উঠেছে। প্রতিটি স্টলে ভালো বিক্রি হচ্ছে।
নবদ্বীপ থেকে আসা কাঁসার বাসনপত্র বিক্রেতা প্রসেনজিৎ দাস বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ভিড় অনেক বেশি। দু’দিন ধরে সকাল থেকেই ভিড় হচ্ছে। আশা করছি, ব্যবসা ভালো হবে। একই কথা বলেন ঠাকুরের সামগ্রী নিয়ে আসা আরএক ব্যবসায়ী সোমনাথ দেবনাথ। তিনি মায়াপুর থেকে এসেছেন। তিনিও দাবি করেন, আশা করছি এবারে ব্যবসা ভালো হবে। ইসলামপুর থেকে মেলায় ঘুরতে আসা সবিতা সাহা বলেন, প্রতিবছর শৈবতীর্থ জল্পেশে শিবচতুর্দশীতে আসি। এবারও তাই এসেছি।
-নিজস্ব চিত্র।