দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
আইনশৃঙ্খলার হাল ফেরানো ইউনুস সরকারের সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষত, সংখ্যালঘু নির্যাতন ইস্যুতে প্রবল চাপে ঢাকা। রাষ্ট্রসঙ্ঘের রিপোর্টেও প্রকাশ্যে এসেছে ‘পরিবর্তনের বাংলাদেশে’ হিন্দুদের উপরে অত্যাচারের নানা ঘটনা। এনিয়ে একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। যদিও ইউনুস সরকারের বক্তব্য, বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে ভারতের মাথা ঘামানো কারণ নেই। কারণ দেশে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কী ধরণের আচরণ করা হবে, সেটা ঢাকার সম্পূর্ণ নিজস্ব বিষয়। এমনই যুক্তি দিয়েছেন বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
গত বছরের আগস্টে প্রধান উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব নিয়েই মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের গভর্নর পদে বসান ইউনুস। মঙ্গলবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে মনসুর বলেন, ‘ব্যাঙ্কিং সেক্টরের সমস্যা সবার জানা। প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাঙ্ক বাঁচানো যাবে না।’ দুর্বল বা সঙ্কটে থাকা ব্যাঙ্কগুলি বন্ধ করতে ‘ব্রিজ ব্যাঙ্ক’ তৈরির পথে বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক। এজন্য অর্ডিন্যান্স জারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে অর্থমন্ত্রকের ওয়েবসাইটে। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাঙ্কগুলির মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ সাড়ে তিন লক্ষ কোটি টাকা ছুঁই ছুঁই। শুধু গত জুলাই থেকে ডিসেম্বর— এই ছ’মাসে যা বেড়েছে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকা। একাধিক ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের গভর্নরের অবশ্য আশ্বাস, ব্যাঙ্ক থেকে আমানতকারীদের টাকা পেতে কোনও সমস্যা হবে না।