দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
গত বছরও ব্রিটিশ-ভারত মুক্ত বাণিজ্য নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লি এসেছিলেন রেনল্ডস। তখন তিনি ছিলেন বিরোধী দলের সাংসদ। কিন্তু এখন দেশের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রকের ভার তাঁর কাঁধে। এই বৈঠক নিয়ে নয়াদিল্লি থেকে বর্তমান-কে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে ব্রিটেনের লেবার পার্টি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগের কনজারভেটিভ সরকার এই চুক্তি করলে, আমরা তা বাস্তবায়িত করতাম। তারা সে কাজ করেনি বলে আমরা সেই ভার তুলে নিয়েছি।’ ভারতের আতিথেয়তায় অভিভূত এই লেবার নেতা আরও বলেন, ‘নয়াদিল্লিতে আমরা উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। আলোচনাও ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। সব মিলিয়ে এই সফর ঘিরে আমি আশাবাদী।’ ভারতের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের প্রশংসাও শোনা গেল রেনল্ডসের মুখে। তিনি বলেন, ‘গোয়েলের সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। তিনি আক্ষরিক অর্থেই একজন দক্ষ বাণিজ্যমন্ত্রী।’ এই মূহূর্তে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত। তার ঠিক পরের স্থান ব্রিটেনের। দু’দেশের মোট বাণিজ্যির পরিমাণ ৪ হাজার ১০০ কোটি পাউন্ড। বিনিয়োগের মাধ্যমে দু’দেশে ছ’লক্ষের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
কোন বিষয়গুলি চলতি ভারত-ব্রিটেন বাণিজ্য চুক্তিতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে? এই প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সমস্ত বিষয় নিয়ে দু’দেশের আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। এই বিষয়ে এখনই আমার পক্ষে নির্দিষ্টভাবে বলা বলা সঠিক হবে না। তবে প্রতিটি চুক্তির ক্ষেত্রে দু’তরফের নিজস্ব বক্তব্য থাকে। সেইসঙ্গে দু’তরফের নির্দিষ্ট কিছু স্পর্শকাতর বিষয় থাকে। তবে যে কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল দু’তরফের রাজনৈতিক ইচ্ছা আছে কি না?’সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজুত করার উপরে জোর দিয়েছে নয়াদিল্লি। এই প্রতিযোগিতার মধ্যে নয়াদিল্লির সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক মজবুত করতে ব্রিটিশ সরকার কী বিশেষ পদক্ষেপ করছে? এই প্রশ্নে জোনাথন রেনল্ডস বলেন, ‘ভারতের অর্থনীতি আকর্ষক। ভারতের বহু মানুষ এর অংশিদার হতে চান। এদেশে ১৮ লক্ষ ভারতীয় বংশদ্ভূতের বাস ব্রিটেনে। এই চুক্তির মাধ্যমে লাভবান হবেন তাঁরাও।’