দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
নেত্রীর এই বার্তায় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, কোর কমিটিকে ছাড়া অনুব্রত মণ্ডল এককভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সমন্বয়ের ভিত্তিতেই সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। মমতা যখন বার্তা দিচ্ছেন, তখন মূল মঞ্চে কয়েক হাত দূরে প্রথম সারিতেই বসেছিলেন অনুব্রত। নেত্রীর নির্দেশ তিনি শুনেছেন। সভা শেষ হওয়ার পরে তিনি বলেছেন, নেত্রী যা নির্দেশ দিয়েছেন, সেইমতোই চলব। জেলার বৈঠক ডাকব। বীরভূম জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য তথা লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ বলেন, অনেকদিন কোর কমিটির বৈঠক হচ্ছে না। সেটা শীঘ্রই হোক। আর সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করি, এটাই হোক আমাদের শপথ। সংগঠনের যাবতীয় বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।
অন্যদিকে, এদিন মমতা এও ঘোষণা করেছেন যে, সংগঠনের বিষয়ে বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা কথা বলে নেবেন অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে। যেহেতু বীরভূম জেলার লাগোয়া রয়েছে বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রটি। তাই ওই কেন্দ্রটি দেখভালের দায়িত্ব গিয়েছে অনুব্রতর কাছে। এদিন মঞ্চে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় বক্তব্য রাখেন। তাঁর বক্তব্য শুনে হাততালি দিতেও দেখা গিয়েছে অনুব্রতকে। - নিজস্ব চিত্র