দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
পুরসভার দাবি, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া তাদের এলাকায় কাউকে কাজ করতে দেয় না। নিজেরাও সেভাবে রক্ষণাবেক্ষণে নজর দেয় না। শ্রীরামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সন্তোষ সিং(পাপ্পু) বলেন, আমরা ঐতিহ্য সংরক্ষণে তৎপর। সম্প্রতি সাফল্যের সঙ্গে হেরিটেজ উৎসব করেছি। মানুষের কাছে সাবেক ডেনমার্ক কলোনির ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছি। রাজ্য সরকার ডেনিস গর্ভনর হাউস সাজিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ডেনিস সমাধিস্থল আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ইতিহাসের সমস্ত পর্বকেই সংরক্ষণ করা উচিত। প্রচুর পর্যটক সমাধিস্থল দেখতে আসেন। তাই সেগুলির যথার্থ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। চলতি সপ্তাহে ওই সমাধিস্থল দেখতে এসেছিলেন হাওড়ার পর্যটক সুমনা পাল। তিনি বলেন, ডেনিসদের স্মৃতি বিজড়িত সমস্ত এলাকা ঘুরে দেখেছি। সেই কারণেই সমাধিস্থলেও এসেছিলাম। দেখলাম, অনেক সমাধির উপর থেকে পরিচয় ফলক গায়েব হয়ে গিয়েছে। অনেক সমাধি ক্ষয়প্রাপ্ত। ইতিহাস সংরক্ষণে অবহেলা করা উচিত নয়। আগামী প্রজন্মের জন্য ইতিহাসের প্রতিটি পর্বকেই ধরে রাখা উচিত। ডেনমার্কের সঙ্গে এখনও আমাদের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আছে। তাঁদের পূর্বপুরুষদের অন্তিম পরিচয়ের চিহ্ন আমরা ধরে রাখতি পারিনি, এই ঘটনা লজ্জার। শ্রীরামপুরের সমাজকর্মী সমীর সাহা বলেন, রাজ্য সরকারের তরফে ইতিহাস সংরক্ষণের মানসিকতা আছে। শহরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও পুনর্গঠন করতে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা প্রশংসনীয়। আমরা চাই, ডেনিস সমাধিস্থল নিয়েও রাজ্য সরকার পদক্ষেপ করুক।
শ্রীরামপুরের ঝাউতলাতে আছে ডেনিসদের সমাধিস্থল। প্রায় ৬১ সাবেক ডেনমার্কবাসীর সমাধি আছে। সেখানে কিছু সংস্কার কাজ হলেও সার্বিক উদাসীনতার চিহ্ন স্পষ্ট। কর্নেল ফ্লেমিং বা গভর্নর হেলেনবার্গের মতো বিশিষ্ট মানুষের সমাধির পরিচয়ফলক থাকলেও অধিকাংশই উধাও। সমাধিগুলিতে ক্ষয়ের ছাপও সহজে দেখা যায়।